ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিকা দিয়েও হামে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 35

হাম টিকা

জরুরি টিকাদান কর্মসূচির মাঝেও কিছু শিশু হামে আক্রান্ত হওয়ায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, টিকা নেওয়ার পর আক্রান্ত হলেও ভয়ের কারণ নেই।

মূলত পূর্ণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। বাংলাদেশে সচেতনতা ও পুষ্টির অভাবের কারণে মৃত্যুহার বেশি হলেও টিকা নেওয়া থাকলে জটিলতার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

সারাদেশে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চলছে। তবে টিকা দেওয়ার কয়েকদিন পরই কিছু শিশু আক্রান্ত হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

মূলত টিকা দিলেও হামের ঝুঁকি নেই—চিকিৎসকদের এমন আশ্বাসের পরও অভিভাবকরা ডিএনসিসি হাসপাতালে ভিড় করছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, টিকা দেওয়ার ১০-১৫ দিন পরই শিশুদের জ্বর ও শরীরে দানা দেখা দিচ্ছে।

ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. আসিফ হায়দার জানান, টিকা দেওয়ার পরপরই শরীরে সুরক্ষা তৈরি হয় না। পূর্ণ ইমিউনিটি তৈরি হতে সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে।

এই সময়ের মধ্যে কোনো শিশু ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে সে আক্রান্ত হতে পারে। তবে বর্তমানে টিকা দিলেও হামের ঝুঁকি নেই বললেই চলে, কারণ টিকা নেওয়া থাকলে শারীরিক জটিলতা ও মৃত্যুহার অনেক কম থাকে।

বাংলাদেশ এখনো হামমুক্ত দেশ নয়। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় এখানে মৃত্যুহার বেশি হওয়ার প্রধান কারণ পুষ্টিহীনতা ও চিকিৎসার অভাব। চিকিৎসকদের মতে, টিকার মাধ্যমে সংক্রমণ শতভাগ ঠেকানো না গেলেও তা জীবন রক্ষাকারী।

বর্তমানে টিকা দিলেও হামের ঝুঁকি নেই এমন সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে প্রশাসন। আসন্ন ঈদে শিশুদের ভিড় এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, সঠিক সময়ে টিকা প্রদান এবং সচেতনতাই হাম প্রতিরোধের প্রধান উপায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টিকা দিয়েও হামে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জরুরি টিকাদান কর্মসূচির মাঝেও কিছু শিশু হামে আক্রান্ত হওয়ায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, টিকা নেওয়ার পর আক্রান্ত হলেও ভয়ের কারণ নেই।

মূলত পূর্ণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। বাংলাদেশে সচেতনতা ও পুষ্টির অভাবের কারণে মৃত্যুহার বেশি হলেও টিকা নেওয়া থাকলে জটিলতার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

সারাদেশে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চলছে। তবে টিকা দেওয়ার কয়েকদিন পরই কিছু শিশু আক্রান্ত হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

মূলত টিকা দিলেও হামের ঝুঁকি নেই—চিকিৎসকদের এমন আশ্বাসের পরও অভিভাবকরা ডিএনসিসি হাসপাতালে ভিড় করছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, টিকা দেওয়ার ১০-১৫ দিন পরই শিশুদের জ্বর ও শরীরে দানা দেখা দিচ্ছে।

ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. আসিফ হায়দার জানান, টিকা দেওয়ার পরপরই শরীরে সুরক্ষা তৈরি হয় না। পূর্ণ ইমিউনিটি তৈরি হতে সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে।

এই সময়ের মধ্যে কোনো শিশু ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে সে আক্রান্ত হতে পারে। তবে বর্তমানে টিকা দিলেও হামের ঝুঁকি নেই বললেই চলে, কারণ টিকা নেওয়া থাকলে শারীরিক জটিলতা ও মৃত্যুহার অনেক কম থাকে।

বাংলাদেশ এখনো হামমুক্ত দেশ নয়। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় এখানে মৃত্যুহার বেশি হওয়ার প্রধান কারণ পুষ্টিহীনতা ও চিকিৎসার অভাব। চিকিৎসকদের মতে, টিকার মাধ্যমে সংক্রমণ শতভাগ ঠেকানো না গেলেও তা জীবন রক্ষাকারী।

বর্তমানে টিকা দিলেও হামের ঝুঁকি নেই এমন সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে প্রশাসন। আসন্ন ঈদে শিশুদের ভিড় এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, সঠিক সময়ে টিকা প্রদান এবং সচেতনতাই হাম প্রতিরোধের প্রধান উপায়।