ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেভাবে পাবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ফলাফল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 180

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে; এসএমএস ও অনলাইনে ফল দেখা যাচ্ছে, দ্রুত শুরু হচ্ছে ভর্তি কার্যক্রম।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে। রোববার দুপুরের পর ফল প্রকাশের পরপরই ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই এক ধরনের চাপা উত্তেজনা দেখা যায়—কে কোথায় দাঁড়ালেন, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, পরীক্ষার মাত্র সাত দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করা হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে দ্রুত বলেই মনে করা হচ্ছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ জানিয়েছেন, প্রথম মেধাতালিকা ধরে দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ফল জানার প্রক্রিয়াটিও রাখা হয়েছে একাধিক পথে। মোবাইল ফোন থেকে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে—‘NU ATHN Roll No’ লিখে 16222 নম্বরে পাঠালেই ফিরতি বার্তায় ফল চলে আসবে। পাশাপাশি অনলাইনে লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে ফল দেখা, এমনকি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করার ব্যবস্থাও রয়েছে। ডিজিটাল এই ব্যবস্থাগুলো কিছুটা স্বস্তি দিলেও, সার্ভার চাপের কারণে শুরুতে ধীরগতির অভিজ্ঞতা নতুন নয়।

যারা প্রথম মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছেন, তাদের জন্য নির্দেশনাও স্পষ্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ, এরপর ১ হাজার ১৩০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি পরিশোধ করতে হবে। সবশেষে নির্বাচিত কলেজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। প্রক্রিয়াটি সরল মনে হলেও, সময়সীমা মিস করলে সুযোগ হারানোর ঝুঁকি থেকেই যায়।

পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে একটি সূক্ষ্ম বাস্তবতা চোখে পড়ে। গত ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। বিপরীতে শূন্য আসন রয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৫২ হাজারের কিছু বেশি—সংখ্যা প্রায় সমান। কিন্তু বাস্তবে প্রতিযোগিতা এতটা সরল নয়। সরকারি কলেজে আসন তুলনামূলক কম হলেও আবেদন বেশি, আবার বেসরকারি কলেজে আসন থাকলেও আগ্রহ কম। ফলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ নাও পেতে পারেন।

এই ব্যবধানটাই হয়তো ভর্তি প্রক্রিয়ার প্রকৃত চ্যালেঞ্জ—সংখ্যার হিসাব নয়, পছন্দের প্রতিষ্ঠানে জায়গা পাওয়ার লড়াই।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যেভাবে পাবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ফলাফল

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে; এসএমএস ও অনলাইনে ফল দেখা যাচ্ছে, দ্রুত শুরু হচ্ছে ভর্তি কার্যক্রম।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে। রোববার দুপুরের পর ফল প্রকাশের পরপরই ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই এক ধরনের চাপা উত্তেজনা দেখা যায়—কে কোথায় দাঁড়ালেন, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, পরীক্ষার মাত্র সাত দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করা হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে দ্রুত বলেই মনে করা হচ্ছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ জানিয়েছেন, প্রথম মেধাতালিকা ধরে দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ফল জানার প্রক্রিয়াটিও রাখা হয়েছে একাধিক পথে। মোবাইল ফোন থেকে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে—‘NU ATHN Roll No’ লিখে 16222 নম্বরে পাঠালেই ফিরতি বার্তায় ফল চলে আসবে। পাশাপাশি অনলাইনে লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে ফল দেখা, এমনকি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করার ব্যবস্থাও রয়েছে। ডিজিটাল এই ব্যবস্থাগুলো কিছুটা স্বস্তি দিলেও, সার্ভার চাপের কারণে শুরুতে ধীরগতির অভিজ্ঞতা নতুন নয়।

যারা প্রথম মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছেন, তাদের জন্য নির্দেশনাও স্পষ্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ, এরপর ১ হাজার ১৩০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি পরিশোধ করতে হবে। সবশেষে নির্বাচিত কলেজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। প্রক্রিয়াটি সরল মনে হলেও, সময়সীমা মিস করলে সুযোগ হারানোর ঝুঁকি থেকেই যায়।

পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে একটি সূক্ষ্ম বাস্তবতা চোখে পড়ে। গত ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। বিপরীতে শূন্য আসন রয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৫২ হাজারের কিছু বেশি—সংখ্যা প্রায় সমান। কিন্তু বাস্তবে প্রতিযোগিতা এতটা সরল নয়। সরকারি কলেজে আসন তুলনামূলক কম হলেও আবেদন বেশি, আবার বেসরকারি কলেজে আসন থাকলেও আগ্রহ কম। ফলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ নাও পেতে পারেন।

এই ব্যবধানটাই হয়তো ভর্তি প্রক্রিয়ার প্রকৃত চ্যালেঞ্জ—সংখ্যার হিসাব নয়, পছন্দের প্রতিষ্ঠানে জায়গা পাওয়ার লড়াই।