ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 80

লিবিয়ার পশ্চিম উপকূলে বাংলাদেশিসহ অন্তত ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের সবাই অভিবাসনপ্রত্যাশী বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা হয়েছে।

শনিবার ত্রিপোলিভিত্তিক চিকিৎসকদের একটি দল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার জানিয়েছে, রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে জুওয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধার হওয়া ১৭ মরদেহের মধ্যে ১৪ জনকে যথাযথ নিয়মে দাফন করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ ত্রিপোলিতে অবস্থানরত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুই মরদেহের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

সেন্টারের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা মরদেহগুলো সাদা প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন।

২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহে তৎকালীন শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপগামী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।

আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষ যুদ্ধ, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তা থেকে বাঁচতে লিবিয়া হয়ে বিপজ্জনক মরুভূমি ও ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। খবর-রয়টার্স

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

লিবিয়ার পশ্চিম উপকূলে বাংলাদেশিসহ অন্তত ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের সবাই অভিবাসনপ্রত্যাশী বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা হয়েছে।

শনিবার ত্রিপোলিভিত্তিক চিকিৎসকদের একটি দল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার জানিয়েছে, রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে জুওয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধার হওয়া ১৭ মরদেহের মধ্যে ১৪ জনকে যথাযথ নিয়মে দাফন করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ ত্রিপোলিতে অবস্থানরত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুই মরদেহের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

সেন্টারের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা মরদেহগুলো সাদা প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন।

২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহে তৎকালীন শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপগামী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।

আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষ যুদ্ধ, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তা থেকে বাঁচতে লিবিয়া হয়ে বিপজ্জনক মরুভূমি ও ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। খবর-রয়টার্স