ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / 193

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন

নারী, শিশু ও তরুণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার আশ্বাস দিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে নারী মৈত্রী আয়োজিত ইয়ূথ কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মন্তব্য করেন । ফারজানা শারমিন বলেন, ‘যে সকল অধ্যাদেশ নিয়ে আমরা একমত হয়েছি অনুমোদিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই অধ্যাদেশটি জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এই অধ্যাদেশের ব্যপারে আমরা সকলে একমত হয়েছি সেহেতু সংসদের বাধ্যবাধকতা মেনে প্রথম অধিবেশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এটিকে আইনে পরিণত করা হবে।’

ইয়ূথ এডভোকেটদের সাথে তিনিও ‘তামাককে না বলে জীবনকে হ্যাঁ বলি’কে উৎসাহিত করেছেন।
নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্যন্সার সোসাইটির সভাপতি ড. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক। এছাড়াও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী, বিসিআইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান এবং সিটিএফকে-বাংলাদেশ এর লিড পলিসি এডভাইজর মো. মোস্তাফিজুর রহমান। নারী মৈত্রী মাদার্স ফোরামের আহ্বায়ক শিবানী ভট্টাচার্য, নারী মৈত্রী মাদার্স ফোরামের উপ আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহনাজ পলি, নারী মৈত্রী তামাকবিরোধী ইয়ূথ ফোরামের সদস্য তাসফিয়া নওরিন এবং ইয়ূথ এডভোকেট মো. রাইসুল ইসলাম, মেহেরুন নাজনীন মুন, মাহমুদুল হাসান হামীম , আশরাফিয়া জান্নাত ও শাহরীন ফেরদৌস। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নারী মৈত্রীর কোঅর্ডিনেটর নাসরিন আকতার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নারী মৈত্রীর প্রোগাম অফিসার সালমা আকতার শান্তা।
শাহীন আকতার ডলি তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইনে রূপান্তর করার জোর দাবি জানান।

নাসরিন আকতার তার প্রবন্ধে বলেন, টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে তামাকজনিত রোগে মৃত্যু হয় প্রায় ২ লাখ মানুষের, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ৫৪৬ জন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক গবেষণালব্ধ তথ্য অনুযায়ী ২০২৪-২৫ বছর তামাক খাত থেকে রাজস্ব আয় হয়েছিল প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা পক্ষান্তরে, তামাকের ব্যবহারজনিত কারণে মৃত্যু, অন্যান্য স্বাস্থ্য ক্ষতি এবং পরিবেশের ক্ষতি বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রাপ্ত রাজস্বের চেয়ে ক্ষতি দ্বিগুনেরও বেশি।
অকাল মৃত্যু রোধ ও জ্নস্বাস্থ্য সুরক্ষায় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদিত হয়। অনুমোদিত অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেস এবং গণপরিবহণে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা; বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ সহ প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওটিটি ও ডিজিটাল মিডিয়াসহ যেকোনো মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন, প্রচার ও পৃষ্ঠপোষকতা নিষিদ্ধ করা; শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও খেলাধূলার স্থানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা এবং তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটের গায়ে বিদ্যমান ৫০ শতাংশের পরিবর্তে ৭৫ শতাংশ এলাকা জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সতর্কবাণী মুদ্রণের বিধান সংযোজন করাসহ অন্যান্য গুরুতওপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

ড. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, ‘রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হলো জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা দেয়া। তামাক কোম্পানি যে পরিমাণ রাজস্ব দেয় তার চেয়ে বেশি টাকা সরকার আমাদের দেয় তামাকজনিত রোগের চিকিৎসার জন্য। কিন্তু আমরা তো তা চাই না। আমরা চাই কেউ যেন এই রোগে আক্রান্ত না হয়। আর সেজন্য তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইনে রূপান্তর করতে হবে।
প্রধান অতিথির দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি আরো বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করার যে যে কমিটিগঠন করা হয়েছে আপনি তার সদস্য। তাই আমরা প্রত্যাশা করি যে, তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করতে আপিনি জোড়ালো ভূমিকা রাখবেন।’

তাসফিয়া নওরিন বলেন, ‘সর্বশেষ জনশুমারি (২০২২) অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশই তরুণ। এই তরুণ জনগোষ্ঠীকে পাস কাটিয়ে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। কারণ তামাক কোম্পানির প্রধান টার্গেট এই তরুণ জনগোষ্ঠী। তাই তামাক কোম্পানির এই কূটকৌশল রুখে দিয়ে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই নবনির্বাচিত সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করতে হবে। কেননা তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এ বিষয়ে অঙ্গীকার করেছিলো। তাই নির্বাচনী অঙ্গীকার রক্ষা করতে অধ্যাদেশটি পাস করে আইনে পরিণত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

নারী, শিশু ও তরুণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার আশ্বাস দিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে নারী মৈত্রী আয়োজিত ইয়ূথ কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মন্তব্য করেন । ফারজানা শারমিন বলেন, ‘যে সকল অধ্যাদেশ নিয়ে আমরা একমত হয়েছি অনুমোদিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই অধ্যাদেশটি জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এই অধ্যাদেশের ব্যপারে আমরা সকলে একমত হয়েছি সেহেতু সংসদের বাধ্যবাধকতা মেনে প্রথম অধিবেশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এটিকে আইনে পরিণত করা হবে।’

ইয়ূথ এডভোকেটদের সাথে তিনিও ‘তামাককে না বলে জীবনকে হ্যাঁ বলি’কে উৎসাহিত করেছেন।
নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্যন্সার সোসাইটির সভাপতি ড. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক। এছাড়াও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী, বিসিআইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান এবং সিটিএফকে-বাংলাদেশ এর লিড পলিসি এডভাইজর মো. মোস্তাফিজুর রহমান। নারী মৈত্রী মাদার্স ফোরামের আহ্বায়ক শিবানী ভট্টাচার্য, নারী মৈত্রী মাদার্স ফোরামের উপ আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহনাজ পলি, নারী মৈত্রী তামাকবিরোধী ইয়ূথ ফোরামের সদস্য তাসফিয়া নওরিন এবং ইয়ূথ এডভোকেট মো. রাইসুল ইসলাম, মেহেরুন নাজনীন মুন, মাহমুদুল হাসান হামীম , আশরাফিয়া জান্নাত ও শাহরীন ফেরদৌস। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নারী মৈত্রীর কোঅর্ডিনেটর নাসরিন আকতার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নারী মৈত্রীর প্রোগাম অফিসার সালমা আকতার শান্তা।
শাহীন আকতার ডলি তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইনে রূপান্তর করার জোর দাবি জানান।

নাসরিন আকতার তার প্রবন্ধে বলেন, টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে তামাকজনিত রোগে মৃত্যু হয় প্রায় ২ লাখ মানুষের, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ৫৪৬ জন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক গবেষণালব্ধ তথ্য অনুযায়ী ২০২৪-২৫ বছর তামাক খাত থেকে রাজস্ব আয় হয়েছিল প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা পক্ষান্তরে, তামাকের ব্যবহারজনিত কারণে মৃত্যু, অন্যান্য স্বাস্থ্য ক্ষতি এবং পরিবেশের ক্ষতি বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রাপ্ত রাজস্বের চেয়ে ক্ষতি দ্বিগুনেরও বেশি।
অকাল মৃত্যু রোধ ও জ্নস্বাস্থ্য সুরক্ষায় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদিত হয়। অনুমোদিত অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেস এবং গণপরিবহণে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা; বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ সহ প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওটিটি ও ডিজিটাল মিডিয়াসহ যেকোনো মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন, প্রচার ও পৃষ্ঠপোষকতা নিষিদ্ধ করা; শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও খেলাধূলার স্থানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা এবং তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটের গায়ে বিদ্যমান ৫০ শতাংশের পরিবর্তে ৭৫ শতাংশ এলাকা জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সতর্কবাণী মুদ্রণের বিধান সংযোজন করাসহ অন্যান্য গুরুতওপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

ড. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, ‘রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হলো জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা দেয়া। তামাক কোম্পানি যে পরিমাণ রাজস্ব দেয় তার চেয়ে বেশি টাকা সরকার আমাদের দেয় তামাকজনিত রোগের চিকিৎসার জন্য। কিন্তু আমরা তো তা চাই না। আমরা চাই কেউ যেন এই রোগে আক্রান্ত না হয়। আর সেজন্য তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইনে রূপান্তর করতে হবে।
প্রধান অতিথির দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি আরো বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করার যে যে কমিটিগঠন করা হয়েছে আপনি তার সদস্য। তাই আমরা প্রত্যাশা করি যে, তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করতে আপিনি জোড়ালো ভূমিকা রাখবেন।’

তাসফিয়া নওরিন বলেন, ‘সর্বশেষ জনশুমারি (২০২২) অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশই তরুণ। এই তরুণ জনগোষ্ঠীকে পাস কাটিয়ে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। কারণ তামাক কোম্পানির প্রধান টার্গেট এই তরুণ জনগোষ্ঠী। তাই তামাক কোম্পানির এই কূটকৌশল রুখে দিয়ে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই নবনির্বাচিত সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করতে হবে। কেননা তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এ বিষয়ে অঙ্গীকার করেছিলো। তাই নির্বাচনী অঙ্গীকার রক্ষা করতে অধ্যাদেশটি পাস করে আইনে পরিণত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’