ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীর প্রতি সহিংসতার প্রায় ১০ লাখ মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 165

ধর্ষণ মামলায় দণ্ডের হার ১ শতাংশেরও কম, আর নারীর প্রতি সহিংসতা সংক্রান্ত প্রায় ১০ লাখ মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। তিনি নারীর অধিকার সুরক্ষায় নারী কমিশন গঠনের পক্ষে মত দিয়ে বলেন, নাগরিক সমাজের গবেষণা ও সুপারিশের আলোকে সংশ্লিষ্ট আইনগুলোকে আরও কার্যকর করা সম্ভব।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর-এ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) আয়োজিত “ব্রেক ব্যারিয়ার, বিল্ড জাস্টিস” শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস-এর বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য ছিল— “সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য অধিকার, ন্যায়বিচার ও কার্যকর পদক্ষেপ”।

সেমিনারে সরকার, বিভিন্ন দূতাবাস, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংগঠন, নাগরিক সমাজ এবং নারী অধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. দাউদ মিয়া। সম্মানিত অতিথি ছিলেন গীতাঞ্জলি সিং, আইরিন খান এবং ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার মানবাধিকার ও নারীর অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নারীর নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার মতো উদ্যোগগুলো পরিবার ও সমাজে নারীর অবস্থানকে শক্তিশালী করছে। নারী কমিশন গঠনের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, নাগরিক সমাজের গবেষণা ও সুপারিশ বিদ্যমান আইনকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি তিনি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নাগরিক সমাজকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

স্বাগত বক্তব্যে এমজেএফের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, দেশে নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি দৃশ্যমান হলেও সহিংসতার ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের ঘাটতি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি আইনমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, যাতে আগামী বছরগুলোতে নারীরা ন্যায়বিচারে বাস্তব পরিবর্তন দেখতে পান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বটতলা থিয়েটার গ্রুপ বাচিক পরিবেশনা “হার সাইলেন্ট ট্রেইল” উপস্থাপন করে, যেখানে ন্যায়বিচারের অভাবে নারী ও শিশুর নীরবতা, ট্রমা এবং প্রতিরোধের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমজেএফের কো-অর্ডিনেটর (প্রোগ্রাম) রুমা সুলতানা। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যখন ন্যায়বিচার পেতে বারবার অপমান, বিলম্ব ও বঞ্চনার মুখে পড়েন, তখন আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় পুলিশ মামলা নিতে অনাগ্রহ দেখায় এবং পারিবারিক সহিংসতাকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখা হয়। সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করে।

প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন এমজেএফের ডিরেক্টর (রাইটস অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রামস) বনশ্রী মিত্র নিয়োগী। তিনি বলেন, স্বচ্ছতার অভাব, দুর্বল জবাবদিহিতা এবং কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তার মতে, নারীর প্রতি সহিংসতা শুধু ধর্ষণ বা পারিবারিক নির্যাতনে সীমাবদ্ধ নয়; এসিড হামলা থেকে শুরু করে প্রতিদিনের ভয়ের সংস্কৃতিও এর অংশ।

আলোচনায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর অ্যাডভোকেট সেলিনা আখতার বলেন, ধর্ষণ মামলায় পুলিশ, হাসপাতাল, সাক্ষী এবং পরিবারের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন হলেও বাস্তবে ভুক্তভোগীকেই পুরো প্রক্রিয়ায় পুনরায় ট্রমার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। অনেক সময় শুরুতেই আলামত নষ্ট হয়ে যায়, সাক্ষী নিশ্চিত করা কঠিন হয় এবং জামিনে মুক্ত আসামিরা ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির (বিএনডব্লিউএলএ) নিঘাত সীমা বলেন, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না। কারণ পারিবারিক সহিংসতাকে এখনো সমাজে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে দেখা হয়।

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর ব্যারিস্টার প্রিয়া আহসান চৌধুরী বলেন, জেন্ডার বৈচিত্র্যময় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অনেক ভুক্তভোগী মামলা করতে নিরুৎসাহিত হন এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় পুনরায় ট্রমার শিকার হন।

আলোচনায় অতিথিরাও ন্যায়বিচার ব্যবস্থার গভীর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। গীতাঞ্জলি সিং বলেন, ন্যায়বিচার ছাড়া অধিকার অর্থহীন হয়ে পড়ে; আর ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলে অধিকার শক্তিতে রূপ নেয়। আইরিন খান বলেন, শুধু আইন সংস্কার যথেষ্ট নয়, নারীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সমাজের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।

ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ন্যায়বিচারকে কেবল শাস্তির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে হবে না; জবাবদিহিতা, পুনর্বাসন এবং সামাজিক রূপান্তরকেও এর অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

এদিকে মো. দাউদ মিয়া বলেন, প্রয়োজনীয় আইন থাকা সত্ত্বেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাঁকফোকর এখনো রয়ে গেছে, এবং অংশগ্রহণকারীদের সুপারিশ বাস্তবায়নে তিনি সহযোগিতা করবেন।

সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি বলেন, নারীর সমতা ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অংশগ্রহণের যে অগ্রগতি হয়েছে, তার পেছনে নারী অধিকারকর্মীদের দীর্ঘদিনের নিরলস প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নারীর প্রতি সহিংসতার প্রায় ১০ লাখ মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ধর্ষণ মামলায় দণ্ডের হার ১ শতাংশেরও কম, আর নারীর প্রতি সহিংসতা সংক্রান্ত প্রায় ১০ লাখ মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। তিনি নারীর অধিকার সুরক্ষায় নারী কমিশন গঠনের পক্ষে মত দিয়ে বলেন, নাগরিক সমাজের গবেষণা ও সুপারিশের আলোকে সংশ্লিষ্ট আইনগুলোকে আরও কার্যকর করা সম্ভব।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর-এ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) আয়োজিত “ব্রেক ব্যারিয়ার, বিল্ড জাস্টিস” শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস-এর বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য ছিল— “সকল নারী ও কন্যাশিশুর জন্য অধিকার, ন্যায়বিচার ও কার্যকর পদক্ষেপ”।

সেমিনারে সরকার, বিভিন্ন দূতাবাস, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংগঠন, নাগরিক সমাজ এবং নারী অধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. দাউদ মিয়া। সম্মানিত অতিথি ছিলেন গীতাঞ্জলি সিং, আইরিন খান এবং ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার মানবাধিকার ও নারীর অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নারীর নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার মতো উদ্যোগগুলো পরিবার ও সমাজে নারীর অবস্থানকে শক্তিশালী করছে। নারী কমিশন গঠনের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, নাগরিক সমাজের গবেষণা ও সুপারিশ বিদ্যমান আইনকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি তিনি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নাগরিক সমাজকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

স্বাগত বক্তব্যে এমজেএফের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, দেশে নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি দৃশ্যমান হলেও সহিংসতার ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের ঘাটতি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি আইনমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, যাতে আগামী বছরগুলোতে নারীরা ন্যায়বিচারে বাস্তব পরিবর্তন দেখতে পান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বটতলা থিয়েটার গ্রুপ বাচিক পরিবেশনা “হার সাইলেন্ট ট্রেইল” উপস্থাপন করে, যেখানে ন্যায়বিচারের অভাবে নারী ও শিশুর নীরবতা, ট্রমা এবং প্রতিরোধের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমজেএফের কো-অর্ডিনেটর (প্রোগ্রাম) রুমা সুলতানা। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যখন ন্যায়বিচার পেতে বারবার অপমান, বিলম্ব ও বঞ্চনার মুখে পড়েন, তখন আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় পুলিশ মামলা নিতে অনাগ্রহ দেখায় এবং পারিবারিক সহিংসতাকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখা হয়। সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করে।

প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন এমজেএফের ডিরেক্টর (রাইটস অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রামস) বনশ্রী মিত্র নিয়োগী। তিনি বলেন, স্বচ্ছতার অভাব, দুর্বল জবাবদিহিতা এবং কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তার মতে, নারীর প্রতি সহিংসতা শুধু ধর্ষণ বা পারিবারিক নির্যাতনে সীমাবদ্ধ নয়; এসিড হামলা থেকে শুরু করে প্রতিদিনের ভয়ের সংস্কৃতিও এর অংশ।

আলোচনায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর অ্যাডভোকেট সেলিনা আখতার বলেন, ধর্ষণ মামলায় পুলিশ, হাসপাতাল, সাক্ষী এবং পরিবারের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন হলেও বাস্তবে ভুক্তভোগীকেই পুরো প্রক্রিয়ায় পুনরায় ট্রমার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। অনেক সময় শুরুতেই আলামত নষ্ট হয়ে যায়, সাক্ষী নিশ্চিত করা কঠিন হয় এবং জামিনে মুক্ত আসামিরা ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির (বিএনডব্লিউএলএ) নিঘাত সীমা বলেন, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না। কারণ পারিবারিক সহিংসতাকে এখনো সমাজে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে দেখা হয়।

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর ব্যারিস্টার প্রিয়া আহসান চৌধুরী বলেন, জেন্ডার বৈচিত্র্যময় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অনেক ভুক্তভোগী মামলা করতে নিরুৎসাহিত হন এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় পুনরায় ট্রমার শিকার হন।

আলোচনায় অতিথিরাও ন্যায়বিচার ব্যবস্থার গভীর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। গীতাঞ্জলি সিং বলেন, ন্যায়বিচার ছাড়া অধিকার অর্থহীন হয়ে পড়ে; আর ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলে অধিকার শক্তিতে রূপ নেয়। আইরিন খান বলেন, শুধু আইন সংস্কার যথেষ্ট নয়, নারীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সমাজের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।

ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ন্যায়বিচারকে কেবল শাস্তির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে হবে না; জবাবদিহিতা, পুনর্বাসন এবং সামাজিক রূপান্তরকেও এর অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

এদিকে মো. দাউদ মিয়া বলেন, প্রয়োজনীয় আইন থাকা সত্ত্বেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাঁকফোকর এখনো রয়ে গেছে, এবং অংশগ্রহণকারীদের সুপারিশ বাস্তবায়নে তিনি সহযোগিতা করবেন।

সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি বলেন, নারীর সমতা ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অংশগ্রহণের যে অগ্রগতি হয়েছে, তার পেছনে নারী অধিকারকর্মীদের দীর্ঘদিনের নিরলস প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।