ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিল্পকলায় নতুন নাটকের উৎসব শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • / 22

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুরু হয়েছে ৮ দিনব্যাপী ‘নতুন নাটকের উৎসব ২০২৬’। নতুন নাট্যচর্চা, লোকজ ঐতিহ্য ও সমকালীন সামাজিক ভাবনার সমন্বয়ে ১২ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন অনুষ্ঠিত হবে নানা নাট্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজন।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে শুক্রবার (১২ জুন) জাতীয় নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে উদ্বোধন করা হয় ৮ দিনব্যাপী ‘নতুন নাটকের উৎসব ২০২৬’। “নতুন নাটক নতুন সময়—মঞ্চে জাগুক মানুষের কথা” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসব চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ডা. জাহেদ উর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। স্বাগত বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামাল বায়েজীদ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক দীপক কুমার গোস্বামী।

বক্তারা বলেন, নাটক মানুষের চেতনা জাগ্রত করার শক্তিশালী মাধ্যম। সামাজিক অচলায়তন, বৈষম্য ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে নাটকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

উদ্বোধনী দিনের সাংস্কৃতিক আয়োজনে পরিবেশিত হয় ‘বাংলা নাটকের গান’। পরে মঞ্চস্থ হয় দিনাজপুর নাট্য সমিতির প্রযোজনা ‘চোরের নাম চরনদাস’, যার নির্দেশনা দিয়েছেন নয়ন বার্টেল।

বিজয়দান দেথার বিখ্যাত গল্প ‘চরণদাস চোর’ অবলম্বনে নির্মিত নাটকটি উত্তরাঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতি, আঞ্চলিক ভাষা ও পালাটিয়া গানের আবহে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে যুক্ত হয়েছে নতুন চরিত্র ও কাহিনির ভিন্ন মাত্রা, যা সমকালীন সমাজবাস্তবতার প্রতিফলন তুলে ধরে।

উৎসবের দ্বিতীয় দিনে, ১৩ জুন সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে বান্দরবানের ইয়াং বংহুং থিয়েটারের নাটক ‘রিনা প্লুং’। নাটকটি তাদের নিজস্ব ভাষায় পরিবেশিত হবে। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলা নাটকের গান’।

উৎসবের বিশেষ আয়োজন হিসেবে ১৫ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের জন্য পাঁচ দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নাট্যশালার ইন্টারন্যাশনাল ডিজিটাল কালচারাল আর্কাইভ কক্ষে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ কর্মশালা চলবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিল্পকলায় নতুন নাটকের উৎসব শুরু

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুরু হয়েছে ৮ দিনব্যাপী ‘নতুন নাটকের উৎসব ২০২৬’। নতুন নাট্যচর্চা, লোকজ ঐতিহ্য ও সমকালীন সামাজিক ভাবনার সমন্বয়ে ১২ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন অনুষ্ঠিত হবে নানা নাট্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজন।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে শুক্রবার (১২ জুন) জাতীয় নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে উদ্বোধন করা হয় ৮ দিনব্যাপী ‘নতুন নাটকের উৎসব ২০২৬’। “নতুন নাটক নতুন সময়—মঞ্চে জাগুক মানুষের কথা” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসব চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ডা. জাহেদ উর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইসরাফিল শাহীন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। স্বাগত বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামাল বায়েজীদ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক দীপক কুমার গোস্বামী।

বক্তারা বলেন, নাটক মানুষের চেতনা জাগ্রত করার শক্তিশালী মাধ্যম। সামাজিক অচলায়তন, বৈষম্য ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে নাটকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

উদ্বোধনী দিনের সাংস্কৃতিক আয়োজনে পরিবেশিত হয় ‘বাংলা নাটকের গান’। পরে মঞ্চস্থ হয় দিনাজপুর নাট্য সমিতির প্রযোজনা ‘চোরের নাম চরনদাস’, যার নির্দেশনা দিয়েছেন নয়ন বার্টেল।

বিজয়দান দেথার বিখ্যাত গল্প ‘চরণদাস চোর’ অবলম্বনে নির্মিত নাটকটি উত্তরাঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতি, আঞ্চলিক ভাষা ও পালাটিয়া গানের আবহে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে যুক্ত হয়েছে নতুন চরিত্র ও কাহিনির ভিন্ন মাত্রা, যা সমকালীন সমাজবাস্তবতার প্রতিফলন তুলে ধরে।

উৎসবের দ্বিতীয় দিনে, ১৩ জুন সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে বান্দরবানের ইয়াং বংহুং থিয়েটারের নাটক ‘রিনা প্লুং’। নাটকটি তাদের নিজস্ব ভাষায় পরিবেশিত হবে। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলা নাটকের গান’।

উৎসবের বিশেষ আয়োজন হিসেবে ১৫ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের জন্য পাঁচ দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নাট্যশালার ইন্টারন্যাশনাল ডিজিটাল কালচারাল আর্কাইভ কক্ষে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ কর্মশালা চলবে।