চুক্তির আগমুহূর্তে বৈরুতে ইসরায়েলি হামলা
- সর্বশেষ আপডেট ১০:১৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- / 9
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য চুক্তি স্বাক্ষরের আলোচনা চলাকালে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে তেল আবিব, যদিও এ ঘটনাকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলির একটি ভবনে রোববার বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামলার পর এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায় এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে তৎপর হন উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, দেশটির উত্তরাঞ্চলে হিজবুল্লাহর সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, রোববার হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন বসতি লক্ষ্য করে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা যুদ্ধবিরতির গুরুতর লঙ্ঘন। এসব ক্ষেপণাস্ত্র শোমেরা ও শ্লোমি এলাকার কাছাকাছি গিয়ে পড়ে বলে জানানো হয়েছে।
এ হামলা এমন এক সময়ে হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি সমঝোতা চুক্তি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। তবে চুক্তির খসড়ায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের কোনো শর্ত রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতায় লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর জেরে ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও লেবাননে সংঘাত থামেনি।
লেবাননের তথ্যমতে, মার্চের শুরু থেকে চলমান ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবিক সংকটে পড়েছেন।


































