ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিজবুল্লাহর পাশে থাকার পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা ইরানের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 93

আব্বাস আরাঘচি

লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর প্রতি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নিঃশর্ত ও সর্বাত্মক সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শনিবার (২৩ মে) হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাইম কাসেমের কাছে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই জোরালো প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, আমেরিকার সাথে যেকোনো সম্ভাব্য পারমাণবিক বা কূটনৈতিক চুক্তি অর্জনের প্রধান শর্তই হলো লেবাননের ওপর ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনীতিতে প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলোর শক্তি ও কৌশলগত অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে তেহরান তার নীতিগত সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে পরাশক্তিগুলোর সাথে আলোচনা চললেও নিজেদের মিত্রদের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া হবে না বলে বার্তা দিয়েছে দেশটি। মূলত হিজবুল্লাহর পাশে থাকার পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা ইরানের শিরোনামের এই কঠোর কূটনৈতিক অবস্থানটি বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তার বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে, ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার পক্ষে থাকা আন্দোলনগুলোকে সাহায্য করা তাদের অন্যতম প্রধান আদর্শ।

তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছে যে, এই কৌশলগত অবস্থান কোনো সাময়িক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি তাদের বিপ্লবের মূল ভিত্তির সাথে জড়িত। বর্তমানে হিজবুল্লাহর পাশে থাকার পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা ইরানের পক্ষ থেকে আসার পাশাপাশি বলা হয়েছে, এটি আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনির দর্শনের প্রতি তাদের রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার। ওয়াশিংটনের সাথে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উত্তেজনা প্রশমনে বেশ কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতা করলেও ইরান সাফ জানিয়েছে যে, যেকোনো চুক্তি লেবাননে সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত হতে হবে।

দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক টেবিলে যে সমস্ত প্রস্তাবনা জমা পড়েছে, তার প্রতিটিতেই লেবাননের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হিজবুল্লাহর পাশে থাকার পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা ইরানের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে উত্থাপিত হওয়ার পর জানা গেছে, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই শর্ত সংবলিত চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তেল আবিবের লেবানন কেন্দ্রিক আগ্রাসী নীতি বন্ধ না হলে আমেরিকার সাথে ভবিষ্যৎ আলোচনার অগ্রগতি কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হিজবুল্লাহর পাশে থাকার পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা ইরানের

সর্বশেষ আপডেট ০১:১৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর প্রতি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নিঃশর্ত ও সর্বাত্মক সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শনিবার (২৩ মে) হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাইম কাসেমের কাছে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই জোরালো প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, আমেরিকার সাথে যেকোনো সম্ভাব্য পারমাণবিক বা কূটনৈতিক চুক্তি অর্জনের প্রধান শর্তই হলো লেবাননের ওপর ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনীতিতে প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলোর শক্তি ও কৌশলগত অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে তেহরান তার নীতিগত সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে পরাশক্তিগুলোর সাথে আলোচনা চললেও নিজেদের মিত্রদের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া হবে না বলে বার্তা দিয়েছে দেশটি। মূলত হিজবুল্লাহর পাশে থাকার পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা ইরানের শিরোনামের এই কঠোর কূটনৈতিক অবস্থানটি বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তার বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে, ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার পক্ষে থাকা আন্দোলনগুলোকে সাহায্য করা তাদের অন্যতম প্রধান আদর্শ।

তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছে যে, এই কৌশলগত অবস্থান কোনো সাময়িক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি তাদের বিপ্লবের মূল ভিত্তির সাথে জড়িত। বর্তমানে হিজবুল্লাহর পাশে থাকার পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা ইরানের পক্ষ থেকে আসার পাশাপাশি বলা হয়েছে, এটি আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনির দর্শনের প্রতি তাদের রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার। ওয়াশিংটনের সাথে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উত্তেজনা প্রশমনে বেশ কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতা করলেও ইরান সাফ জানিয়েছে যে, যেকোনো চুক্তি লেবাননে সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত হতে হবে।

দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক টেবিলে যে সমস্ত প্রস্তাবনা জমা পড়েছে, তার প্রতিটিতেই লেবাননের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হিজবুল্লাহর পাশে থাকার পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা ইরানের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে উত্থাপিত হওয়ার পর জানা গেছে, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই শর্ত সংবলিত চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তেল আবিবের লেবানন কেন্দ্রিক আগ্রাসী নীতি বন্ধ না হলে আমেরিকার সাথে ভবিষ্যৎ আলোচনার অগ্রগতি কোনোভাবেই সম্ভব নয়।