হাদি হত্যার আসামি ফেরাতে কাজ চলছে: আইজিপি
- সর্বশেষ আপডেট ১২:৫০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
- / 206
ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
আইজিপি বলেন, হাদি হত্যা মামলার আসামি ফয়সাল ও আলমগীর বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিকভাবে কাজ চলছে এবং শিগগিরই তাদের দেশে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সন্ত্রাসী তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই তালিকার ভিত্তিতে অচিরেই সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে, যাতে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদারের কথাও উল্লেখ করেন আইজিপি। তিনি বলেন, ঈদের সময় মহাসড়কে ছিনতাই, ডাকাতি বা চাঁদাবাজির মতো অপরাধ যাতে না ঘটে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
বেতন-ভাতা নিয়ে শ্রমিকদের অসন্তোষের বিষয়ে তিনি জানান, এ নিয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি না হয়। একই সঙ্গে জঙ্গিবাদ যাতে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং হাদি হত্যা মামলার আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, এ বিষয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার জন্য কিছু সদস্য দায়ী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপি বলেন, পুলিশের পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি থাকবে না। সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদেরই দায়িত্ব দেওয়া হবে। “দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো”—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।
এছাড়া দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে প্রতিটি থানায় একজন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বলেও উল্লেখ করেন আইজিপি।

































