ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালী বন্ধ, তেলের দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / 186

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি ব্যারেলের দাম ১০০ ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। রোববার (১ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ জানান বিশ্লেষকরা।

তেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রোববার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজারের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিআইএস-এর এনার্জি ও রিফাইনিং ডিরেক্টর অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলাগুলো তেলের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখলেও আসল কারণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়া।

বাণিজ্যিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেহরানের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর বেশিরভাগ ট্যাঙ্কার মালিক, বড় তেল কোম্পানি এবং ট্রেডিং হাউসগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি এবং এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে। বিশ্বের ২০ শতাংশের বেশি তেল এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

পারমার আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সপ্তাহের শুরুতে বাজার চালুর পর তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকবে। প্রণালীটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে তা ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা ওয়াশিংটনকে আগেই সতর্ক করেছিলেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে নিয়ে যেতে পারে। এদিকে ওপেক প্লাস গ্রুপ রোববার জানিয়েছে, তারা এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়াবে। যা বৈশ্বিক চাহিদার ০.২ শতাংশেরও কম।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হরমুজ প্রণালী বন্ধ, তেলের দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি ব্যারেলের দাম ১০০ ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। রোববার (১ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ জানান বিশ্লেষকরা।

তেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রোববার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজারের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিআইএস-এর এনার্জি ও রিফাইনিং ডিরেক্টর অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলাগুলো তেলের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখলেও আসল কারণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়া।

বাণিজ্যিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, তেহরানের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর বেশিরভাগ ট্যাঙ্কার মালিক, বড় তেল কোম্পানি এবং ট্রেডিং হাউসগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি এবং এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে। বিশ্বের ২০ শতাংশের বেশি তেল এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

পারমার আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সপ্তাহের শুরুতে বাজার চালুর পর তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকবে। প্রণালীটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে তা ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা ওয়াশিংটনকে আগেই সতর্ক করেছিলেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে নিয়ে যেতে পারে। এদিকে ওপেক প্লাস গ্রুপ রোববার জানিয়েছে, তারা এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়াবে। যা বৈশ্বিক চাহিদার ০.২ শতাংশেরও কম।