ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
হামের প্রকোপ

স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 70

হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সম্প্রতি দেশে হামের কারণে ৪৭ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আইনজীবী লতিফ জাহান পূর্ণিমা এই রিট করেন। রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবার কল্যাণ বিভাগসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, আদালতের নিকট একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে, যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা, সংক্রমণের পরিমাণ, টিকাদানের হার, টিকার প্রাপ্যতা এবং গৃহীত পদক্ষেপসমূহ উল্লেখ থাকবে। পাশাপাশি টিকাদান কাভারেজ নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার ঘাটতি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় বিলম্বের কারণ নির্ধারণের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ, স্বাধীন ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্ত পরিচালনার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এছাড়া কেন সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, তা ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে এবং তদন্তের ফলাফল আদালতের সামনে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

আরও বলা হয়, সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত না করা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা ও জরুরি সাড়া প্রদানে ঘাটতি- এসবই সংবিধানের ২৭, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। বিবাদীগণকে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে যেন তারা অবিলম্বে দেশব্যাপী জরুরি হাম টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করে এবং টিকা, সিরিঞ্জ ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরবরাহ পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্নভাবে নিশ্চিত করে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হামের প্রকোপ

স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে রিট

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সম্প্রতি দেশে হামের কারণে ৪৭ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আইনজীবী লতিফ জাহান পূর্ণিমা এই রিট করেন। রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবার কল্যাণ বিভাগসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, আদালতের নিকট একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে, যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা, সংক্রমণের পরিমাণ, টিকাদানের হার, টিকার প্রাপ্যতা এবং গৃহীত পদক্ষেপসমূহ উল্লেখ থাকবে। পাশাপাশি টিকাদান কাভারেজ নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার ঘাটতি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় বিলম্বের কারণ নির্ধারণের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ, স্বাধীন ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্ত পরিচালনার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এছাড়া কেন সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, তা ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে এবং তদন্তের ফলাফল আদালতের সামনে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

আরও বলা হয়, সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত না করা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা ও জরুরি সাড়া প্রদানে ঘাটতি- এসবই সংবিধানের ২৭, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। বিবাদীগণকে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে যেন তারা অবিলম্বে দেশব্যাপী জরুরি হাম টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করে এবং টিকা, সিরিঞ্জ ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরবরাহ পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্নভাবে নিশ্চিত করে।