ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব: মাহদী আমিন

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 17

শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে সরকার শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, প্রাথমিক শিক্ষকদের মানোন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ডিজিটাল কারিকুলাম ও আধুনিক প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও দক্ষতানির্ভর করার ওপর জোর দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় অংশ নেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, শিক্ষকদের ভাগ্যের পরিবর্তনের মাধ্যমে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সম্ভব। মূলত শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকদের গুণগত মান বৃদ্ধিতে সরকার সবচেয়ে বেশি মনোযোগী।

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা। তিনি ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাপ’ স্কিমের কথা তুলে ধরেন, যেখানে ট্যাবলেট কম্পিউটারের মাধ্যমে শিক্ষকরা উন্নত প্রশিক্ষণ পাবেন। বর্তমানে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতে কারিকুলামকে ডিজিটাল করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষকরা কেবল জ্ঞান বিতরণে নয়, বরং প্রযুক্তিগতভাবেও দক্ষ হয়ে উঠবেন, যা তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেধা পাচার রোধ করে দেশের ভেতরেই মেধা লালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শুধু একাডেমিক সার্টিফিকেট নয়, বরং কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনই বেকারত্ব দূর করার চাবিকাঠি। বর্তমানে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সিলেবাস আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, একটি দক্ষ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন রোডম্যাপ তৈরি করছে সরকার।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব: মাহদী আমিন

সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে সরকার শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, প্রাথমিক শিক্ষকদের মানোন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ডিজিটাল কারিকুলাম ও আধুনিক প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও দক্ষতানির্ভর করার ওপর জোর দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় অংশ নেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, শিক্ষকদের ভাগ্যের পরিবর্তনের মাধ্যমে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সম্ভব। মূলত শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকদের গুণগত মান বৃদ্ধিতে সরকার সবচেয়ে বেশি মনোযোগী।

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা। তিনি ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাপ’ স্কিমের কথা তুলে ধরেন, যেখানে ট্যাবলেট কম্পিউটারের মাধ্যমে শিক্ষকরা উন্নত প্রশিক্ষণ পাবেন। বর্তমানে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতে কারিকুলামকে ডিজিটাল করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষকরা কেবল জ্ঞান বিতরণে নয়, বরং প্রযুক্তিগতভাবেও দক্ষ হয়ে উঠবেন, যা তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেধা পাচার রোধ করে দেশের ভেতরেই মেধা লালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শুধু একাডেমিক সার্টিফিকেট নয়, বরং কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনই বেকারত্ব দূর করার চাবিকাঠি। বর্তমানে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সিলেবাস আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, একটি দক্ষ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন রোডম্যাপ তৈরি করছে সরকার।