রামিসার পর এবার গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা
- সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
- / 40
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বগুড়ার গাবতলীতে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২০ মে) মধ্যরাতে উপজেলার মমিনহাটা দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিজ ঘরের মেঝে থেকে রীতা রানী মজুমদার (৪৫) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত নারী ওই এলাকার বিধান চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে এই বর্বর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে যায়, যার রহস্য উন্মোচনে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছে জেলা পুলিশ।
সারাদেশে একের পর এক পৈশাতিক খুনের ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে গভীর নিরাপত্তাহীনতা ও তীব্র আতঙ্ক তৈরি করছে। পল্লবীর মস্তকহীন লাশের ক্ষত দগদগে থাকাকালীন প্রত্যন্ত অঞ্চলে শয়নকক্ষে ঢুকে এমন হামলা আমাদের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এক নগ্ন রূপ।
মূলত রামিসার পর এবার গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা শিরোনামের এই রোমাঞ্চকর ঘটনাটি বগুড়া জেলা জুড়েই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সন্তানরা পড়াশোনার জন্য ঢাকায় থাকায় ওই প্রত্যন্ত বাড়িতে কেবল এই দম্পতিই বসবাস করতেন।
নিহতের স্বামী বিধান চন্দ্র রায় জানান, রাতে একসাথে রাতের খাবার খেয়ে তারা দুজন আলাদা আলাদা ঘরে ঘুমাতে গিয়েছিলেন। বর্তমানে রামিসার পর এবার গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা করার উদ্দেশ্যে খুনিরা সদর দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে স্ত্রীর ওপর চড়াও হয়।
রাত সোয়া বারোটার দিকে পাশের ঘর থেকে তীব্র গোঙানির শব্দ ও ধস্তাধস্তির আওয়াজ পেয়ে বিধান বাবু ছুটে গিয়ে মেঝেতে স্ত্রীর রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
সদর দরজা খোলা থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে সুপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। বর্তমানে রামিসার পর এবার গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা করার পেছনে পারিবারিক নাকি ডাকাতির কোনো উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।
গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, এই ধরণের জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে ফাস্ট ট্র্যাকে এনে ফাঁসি নিশ্চিত করা না গেলে সামাজিক এই পচন রোধ করা অসম্ভব।



































