ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 19

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র

বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে দুই ইউনিট মিলিয়ে ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। কেন্দ্রটির ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ উৎপাদন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। সন্ধ্যায় কেন্দ্রটির প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দুই ইউনিটের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ ছিল। ত্রুটি মেরামতের পর ইউনিটটি পুনরায় চালু হওয়ায় উৎপাদন বেড়েছে এবং বর্তমানে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে সাধারণত দুটি ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে। এবার সেই সক্ষমতা ছাড়িয়ে ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১০ সালে। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) মধ্যে চুক্তি সই হয়। পরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) গঠন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রকল্প নির্মাণ করা হয়।

দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। পরের বছর ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে দুই ইউনিট মিলিয়ে ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। কেন্দ্রটির ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ উৎপাদন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। সন্ধ্যায় কেন্দ্রটির প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দুই ইউনিটের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ ছিল। ত্রুটি মেরামতের পর ইউনিটটি পুনরায় চালু হওয়ায় উৎপাদন বেড়েছে এবং বর্তমানে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে সাধারণত দুটি ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে। এবার সেই সক্ষমতা ছাড়িয়ে ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১০ সালে। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) মধ্যে চুক্তি সই হয়। পরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) গঠন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রকল্প নির্মাণ করা হয়।

দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। পরের বছর ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়।