ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 43

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট রয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এ সংকট মোকাবিলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তৃতাকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে জ্বালানি সংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই সময়ে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। অপরের প্রয়োজন উপলব্ধি করতে হবে এবং সম্মিলিত সম্পদকে স্বীকৃতি দিতে হবে।’

সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশকে একটি ‘সুপার সোর্সিং হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এর মাধ্যমে দেশকে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল ও ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও সংযুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রযুক্তি বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বর্তমানে উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়ানো এবং এসএমই খাতে উদ্ভাবন জোরদার করা প্রয়োজন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট রয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এ সংকট মোকাবিলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তৃতাকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে জ্বালানি সংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই সময়ে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। অপরের প্রয়োজন উপলব্ধি করতে হবে এবং সম্মিলিত সম্পদকে স্বীকৃতি দিতে হবে।’

সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশকে একটি ‘সুপার সোর্সিং হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এর মাধ্যমে দেশকে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল ও ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও সংযুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রযুক্তি বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বর্তমানে উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়ানো এবং এসএমই খাতে উদ্ভাবন জোরদার করা প্রয়োজন।