ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চুয়াডাঙ্গা
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / 150

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান নিহত হয়েছেন। এ সময় উভয়পক্ষের ছয়জন আহত হন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার হাসাদাহ এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার (১ মার্চ) সকালে জীবননগরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে আগামী ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিহত হাফিজুর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের আবদুল ওয়াহেদের ছেলে। তিনি জুয়েলারি ব্যবসায়ী এবং হাসাদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমানের বড়ভাই। এ ঘটনায় মফিজুর গুরুতর আহত হয়েছেন।

জানা যায়, সুটিয়া গ্রামের জামায়াত সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে শনিবার রাতে হাসাদাহ বাজারে দুপক্ষের বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে কথা-কাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে হাফিজুর, তার বড় ভাই মফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম ও হাপু আহত হন। ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত ২টার দিকে হাফিজুর মারা যান।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী নিহত

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান নিহত হয়েছেন। এ সময় উভয়পক্ষের ছয়জন আহত হন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার হাসাদাহ এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার (১ মার্চ) সকালে জীবননগরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে আগামী ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিহত হাফিজুর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের আবদুল ওয়াহেদের ছেলে। তিনি জুয়েলারি ব্যবসায়ী এবং হাসাদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমানের বড়ভাই। এ ঘটনায় মফিজুর গুরুতর আহত হয়েছেন।

জানা যায়, সুটিয়া গ্রামের জামায়াত সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে শনিবার রাতে হাসাদাহ বাজারে দুপক্ষের বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে কথা-কাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কি এবং পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে হাফিজুর, তার বড় ভাই মফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম ও হাপু আহত হন। ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত ২টার দিকে হাফিজুর মারা যান।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে।