ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

নিজস্ব প্রতিবদেক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 13

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

অ্যামোনিয়া গ্যাসের সংকটে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মজুত অ্যামোনিয়া দিয়ে কিছুদিন উৎপাদন চালু রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার বিকেলে তা শেষ হয়ে যায়। এরপরই উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

মঈনুল হক বলেন, ৪ মার্চ থেকেই অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুত দিয়ে উৎপাদন চালানো হয়েছিল, কিন্তু এখন আর সম্ভব হচ্ছে না।

মূলত পাশ্ববর্তী কাফকো ও সিইউএফএল সার কারখানা থেকে সরবরাহ করা অ্যামোনিয়া নিয়ে ডিএপি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে গত ৪ মার্চ গ্যাস–সংকটের কারণে সিইউএফএল ও কাফকোতে অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দুটি কারখানা থেকে ডিএপি সার কারখানায়ও অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় মজুত থাকা অ্যামোনিয়া দিয়ে প্রায় দেড় মাস উৎপাদন অব্যাহত রাখে ডিএপি সার কারখানা। মজুত শেষ হওয়ায় রাতে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

২০০৬ সালে কারখানাটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। এখানে দুটি উৎপাদন ইউনিট রয়েছে–ডিএপি-১ ও ডিএপি-২। প্রতিটি ইউনিটে দৈনিক ৮০০ টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

অ্যামোনিয়া গ্যাসের সংকটে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মজুত অ্যামোনিয়া দিয়ে কিছুদিন উৎপাদন চালু রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার বিকেলে তা শেষ হয়ে যায়। এরপরই উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

মঈনুল হক বলেন, ৪ মার্চ থেকেই অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুত দিয়ে উৎপাদন চালানো হয়েছিল, কিন্তু এখন আর সম্ভব হচ্ছে না।

মূলত পাশ্ববর্তী কাফকো ও সিইউএফএল সার কারখানা থেকে সরবরাহ করা অ্যামোনিয়া নিয়ে ডিএপি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে গত ৪ মার্চ গ্যাস–সংকটের কারণে সিইউএফএল ও কাফকোতে অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দুটি কারখানা থেকে ডিএপি সার কারখানায়ও অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় মজুত থাকা অ্যামোনিয়া দিয়ে প্রায় দেড় মাস উৎপাদন অব্যাহত রাখে ডিএপি সার কারখানা। মজুত শেষ হওয়ায় রাতে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

২০০৬ সালে কারখানাটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। এখানে দুটি উৎপাদন ইউনিট রয়েছে–ডিএপি-১ ও ডিএপি-২। প্রতিটি ইউনিটে দৈনিক ৮০০ টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।