ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাল্যবিবাহমুক্ত কালীগঞ্জে ১৫ বছরের ছাত্রীর বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 37

বাল্যবিবাহ

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীর বিয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের খাঁরহাট গ্রামে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ২৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসক ও জেলা বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী, ওই ছাত্রীর জন্ম ২০১০ সালের ১৭ নভেম্বর। সে হিসাবে বিয়ের সময় তার বয়স ছিল ১৫ বছর ১১ মাস। সে বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পার্শ্ববর্তী মারকা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ২৭ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধকর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা বলেন, ২০১৫ সালে কালীগঞ্জকে বাল্যবিবাহমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করা হয়েছিল। এ অবস্থায় এমন ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের নির্দেশে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আর্ণা চক্রবর্তী ওই ছাত্রীর পরিবারকে ডেকে পাঠান। বাল্যবিবাহসংক্রান্ত আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে অবহিত করার পর ছাত্রীর বাবা শেখ ইমান আলী মুচলেকা দেন। একই সঙ্গে আইন অনুযায়ী বিয়ের উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রীর অভিভাবক ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাল্যবিবাহমুক্ত কালীগঞ্জে ১৫ বছরের ছাত্রীর বিয়ে

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীর বিয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের খাঁরহাট গ্রামে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ২৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসক ও জেলা বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী, ওই ছাত্রীর জন্ম ২০১০ সালের ১৭ নভেম্বর। সে হিসাবে বিয়ের সময় তার বয়স ছিল ১৫ বছর ১১ মাস। সে বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পার্শ্ববর্তী মারকা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ২৭ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধকর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা বলেন, ২০১৫ সালে কালীগঞ্জকে বাল্যবিবাহমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করা হয়েছিল। এ অবস্থায় এমন ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের নির্দেশে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আর্ণা চক্রবর্তী ওই ছাত্রীর পরিবারকে ডেকে পাঠান। বাল্যবিবাহসংক্রান্ত আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে অবহিত করার পর ছাত্রীর বাবা শেখ ইমান আলী মুচলেকা দেন। একই সঙ্গে আইন অনুযায়ী বিয়ের উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রীর অভিভাবক ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।