ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়তি দাম প্রত্যাহার, তবু কমেনি বেকারি পণ্যের দাম

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 14

বেকারি পণ্যের দাম

বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হলেও ঢাকার বিভিন্ন দোকান ও লাইভ বেকারিতে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে কেক, বিসকুট, পাউরুটিসহ নানা পণ্য। কোথাও কোথাও আগের তুলনায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি দামে এসব পণ্য বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর বেকারি পণ্যের দাম সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠকের পর আপাতত দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বাংলাদেশ ব্রেড, বিসকুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি।

তবে খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। আগের বাড়তি দামেই অনেক দোকানে বেকারি পণ্য বিক্রি হচ্ছে। সমিতির সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন বলেন, সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রির সিদ্ধান্তে তারা বহাল রয়েছেন। তবে উৎপাদন খরচ ও লোকসানের কারণে কোনো কোনো ব্যবসায়ী বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন বলে তিনি স্বীকার করেন।

খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি পর্যায় থেকেই বাড়তি দামে পাউরুটি, কেকসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, কিছু ক্ষেত্রে ১০ টাকার পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে ১৫ টাকার পণ্য দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অনেক পণ্যের আকারও ছোট হয়েছে। ফলে দাম বাড়ার পাশাপাশি কমেছে পণ্যের পরিমাণ।

লাইভ বেকারির ব্যবসায়ীরাও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াকে দাম বাড়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। তাদের দাবি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এক কর্মচারী জানান, গ্যাসের দামসহ ময়দার মূল্যও আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। ফলে পণ্যের দাম কমানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে কয়েক দফায় দাম বাড়ানো ও পরে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের কারণে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন ভোক্তারা। তাদের অভিযোগ, একই ধরনের কেক বা পাউরুটির দাম দোকানভেদে ভিন্ন। কোথাও ছোট আকারের কেকও ১৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

ভোক্তারা বলছেন, প্রতিদিন দুই বেলা নাশতায় বেকারি পণ্য খেতে গেলে বাড়তি খরচ হচ্ছে। দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার হলেও খুচরা বাজারে আগের দামে পণ্য না ফেরায় সাধারণ ক্রেতাদের ওপরই এর চাপ পড়ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাড়তি দাম প্রত্যাহার, তবু কমেনি বেকারি পণ্যের দাম

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হলেও ঢাকার বিভিন্ন দোকান ও লাইভ বেকারিতে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে কেক, বিসকুট, পাউরুটিসহ নানা পণ্য। কোথাও কোথাও আগের তুলনায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি দামে এসব পণ্য বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর বেকারি পণ্যের দাম সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠকের পর আপাতত দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বাংলাদেশ ব্রেড, বিসকুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি।

তবে খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। আগের বাড়তি দামেই অনেক দোকানে বেকারি পণ্য বিক্রি হচ্ছে। সমিতির সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন বলেন, সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রির সিদ্ধান্তে তারা বহাল রয়েছেন। তবে উৎপাদন খরচ ও লোকসানের কারণে কোনো কোনো ব্যবসায়ী বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন বলে তিনি স্বীকার করেন।

খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি পর্যায় থেকেই বাড়তি দামে পাউরুটি, কেকসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, কিছু ক্ষেত্রে ১০ টাকার পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে ১৫ টাকার পণ্য দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অনেক পণ্যের আকারও ছোট হয়েছে। ফলে দাম বাড়ার পাশাপাশি কমেছে পণ্যের পরিমাণ।

লাইভ বেকারির ব্যবসায়ীরাও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াকে দাম বাড়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। তাদের দাবি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এক কর্মচারী জানান, গ্যাসের দামসহ ময়দার মূল্যও আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। ফলে পণ্যের দাম কমানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে কয়েক দফায় দাম বাড়ানো ও পরে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের কারণে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন ভোক্তারা। তাদের অভিযোগ, একই ধরনের কেক বা পাউরুটির দাম দোকানভেদে ভিন্ন। কোথাও ছোট আকারের কেকও ১৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

ভোক্তারা বলছেন, প্রতিদিন দুই বেলা নাশতায় বেকারি পণ্য খেতে গেলে বাড়তি খরচ হচ্ছে। দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার হলেও খুচরা বাজারে আগের দামে পণ্য না ফেরায় সাধারণ ক্রেতাদের ওপরই এর চাপ পড়ছে।