বরযাত্রীর গাড়ি থেকে তুলে নেওয়া নববধূর ভিডিও বার্তা
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 18
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বরযাত্রীর গাড়ি থামিয়ে নববধূকে তুলে নেওয়ার অভিযোগের একদিন পর ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান জানিয়েছেন তামান্না আক্তার। ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, যেভাবেই সেখানে গিয়ে থাকুন না কেন, এখন আর ফিরে যেতে চান না। যেখানে গেছেন, সেখানেই থাকবেন বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তামান্না নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। ভিডিওতে তাঁর দুই পাশে ছয়জন নারী এবং সামনে একজন পুরুষকে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় একটি কক্ষের দরজার পাশে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মিয়াদকেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
ভিডিও বার্তায় তামান্না বলেন, ‘আমি যেমনেই আইছি, জোর কইরা হউক, নিজের ইচ্ছায় হউক, যেমনেই হউক। আইছিতো আইছিই। এহন যদি যাইগাও, গেলেও তো আমার মান-সম্মান ফিরা আইতো না, আমার বাপ-মার মান-সম্মানও ফিরা আইতো না। গেইলেও কোনো লাভ নাই। আমি আইছি, এনেই থাকবাম।’
এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় বরযাত্রীর গাড়ি থামিয়ে নববধূকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলকর্মী আতিকুর রহমান মিয়াদের বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আবুল মিয়ার মেয়ে তামান্না আক্তারের সঙ্গে নান্দাইল উপজেলার রাজাবাড়িয়া গ্রামের আক্তার মিয়ার (২৮) বিয়ে হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন বর ও বরযাত্রীরা।
পথে জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল যুবক মাইক্রোবাসটির গতিরোধ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ওই দলে ২০ থেকে ২৫ জন যুবক ছিলেন। তাঁদের নেতৃত্বে আতিকুর রহমান মিয়াদ ছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
এ সময় নববধূকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়। পরে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।
তবে ঘটনার একদিন পর প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তামান্না নিজেই সেখানে থাকার বিষয়ে নিজের অবস্থান জানান। তাঁর বক্তব্যে তিনি আর ফিরে যেতে চান না বলে স্পষ্ট করেন।





















