ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে পুশইন হওয়া ছয়জন বাস কাউন্টারে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, পঞ্চগড়
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 22

পঞ্চগড়ে পুশইন হওয়া ছয়জন বাস কাউন্টারে আটক

পঞ্চগড়ে ভারত থেকে পুশইন করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে; এমন দাবির পর ছয়জনকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে পঞ্চগড় শহরের শ্যামলী বাস কাউন্টার থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও দুজন নারী। তারা সুনামগঞ্জ ও সিলেটের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন সুনামগঞ্জের বাচ্চু মিয়া (৬০), তার স্ত্রী আমিনা বেগম (৫৫), মেয়ে দিলারা বেগম (২৮), সিলেটের মফিজ আলী (২৫), সুনামগঞ্জের সুমন (২০) ও সজিব মিয়া (১৯)।

আটক ব্যক্তিদের ভাষ্য, মঙ্গলবার সকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। সীমান্ত পার হয়ে তারা পঞ্চগড় শহরের শেরে বাংলা পার্ক এলাকার শ্যামলী কাউন্টারে যান। সেখান থেকে সুনামগঞ্জ ও সিলেটে যাওয়ার জন্য বাসের টিকিট কাটতে গেলে কাউন্টারের কর্মীদের কাছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং ভারত থেকে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়েছে বলে জানান। পরে কাউন্টার থেকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

তাদের দাবি, গত পাঁচ বছর ধরে তারা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে বিভিন্ন কাজে ছিলেন। গত ৪ এপ্রিল ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। পরে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সোমবার বিকেলে কাশ্মীর থেকে আরও প্রায় ১৫০ জনের সঙ্গে তাদের বিমানে ভারতের বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। পরে তাদের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে দাবি করেন তারা।

আটক ব্যক্তিদের আরও দাবি, সোমবার গভীর রাতে পঞ্চগড়ের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হয়। পরে নিজ নিজ এলাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে পঞ্চগড় শহরের শ্যামলী কাউন্টারে গেলে তাদের আটক করা হয়।

পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস বলেন, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিয়মিত টহল ও অভিযান চলছে। তবে পঞ্চগড় শহরে ছয়জনকে আটক করার বিষয়টি তার জানা নেই।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অশীষ কুমার শীল বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে শ্যামলী কাউন্টারে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পঞ্চগড়ে পুশইন হওয়া ছয়জন বাস কাউন্টারে আটক

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

পঞ্চগড়ে ভারত থেকে পুশইন করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে; এমন দাবির পর ছয়জনকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে পঞ্চগড় শহরের শ্যামলী বাস কাউন্টার থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও দুজন নারী। তারা সুনামগঞ্জ ও সিলেটের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন সুনামগঞ্জের বাচ্চু মিয়া (৬০), তার স্ত্রী আমিনা বেগম (৫৫), মেয়ে দিলারা বেগম (২৮), সিলেটের মফিজ আলী (২৫), সুনামগঞ্জের সুমন (২০) ও সজিব মিয়া (১৯)।

আটক ব্যক্তিদের ভাষ্য, মঙ্গলবার সকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। সীমান্ত পার হয়ে তারা পঞ্চগড় শহরের শেরে বাংলা পার্ক এলাকার শ্যামলী কাউন্টারে যান। সেখান থেকে সুনামগঞ্জ ও সিলেটে যাওয়ার জন্য বাসের টিকিট কাটতে গেলে কাউন্টারের কর্মীদের কাছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং ভারত থেকে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়েছে বলে জানান। পরে কাউন্টার থেকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

তাদের দাবি, গত পাঁচ বছর ধরে তারা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে বিভিন্ন কাজে ছিলেন। গত ৪ এপ্রিল ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। পরে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সোমবার বিকেলে কাশ্মীর থেকে আরও প্রায় ১৫০ জনের সঙ্গে তাদের বিমানে ভারতের বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। পরে তাদের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে দাবি করেন তারা।

আটক ব্যক্তিদের আরও দাবি, সোমবার গভীর রাতে পঞ্চগড়ের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হয়। পরে নিজ নিজ এলাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে পঞ্চগড় শহরের শ্যামলী কাউন্টারে গেলে তাদের আটক করা হয়।

পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস বলেন, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিয়মিত টহল ও অভিযান চলছে। তবে পঞ্চগড় শহরে ছয়জনকে আটক করার বিষয়টি তার জানা নেই।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অশীষ কুমার শীল বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে শ্যামলী কাউন্টারে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।