নীলফামারীতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় আনার আহ্বান
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
- / 21
নীলফামারীতে সামাজিক বৈষম্য দূর করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারার সমাজে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা সম্মানজনক জীবন ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১১টায় জেলা পরিষদ হলরুমে ‘মূলধারার সমাজে সর্বাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক অন্তর্ভুক্তিতে করণীয় ও এগিয়ে যাওয়ার পথ’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করে ন্যাশনাল ইনডোমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি, ল্যানকাসটার বিশ্ববিদ্যালয় এবং রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জাতীয় আরটিআই নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সদস্য আনোয়ারুল আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক সত্যেন্দ্র নাথ রায়, নীলফামারী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক মশিউর রহমান, নীলফামারী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সভাপতি হাসান রাব্বী প্রধান এবং দিনাজপুর আরটিআই নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সদস্য মো. সামিউল আলম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মো. মতিউর রহমান।
সভায় হরিজন, শীল, নরসুন্দর ও দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরেন। তারা অভিযোগ করেন, এখনও অনেক জায়গায় তাদের সামাজিক মর্যাদা স্বীকৃত নয়। কোথাও কোথাও খাবার পরিবেশনে আলাদা পাত্র ব্যবহার করতে হয়, আবার কিছু হোটেলে বসে খাওয়ার সুযোগও দেওয়া হয় না।
প্রধান অতিথি জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন কাজ করছে। তবে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তনও জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া বাস্তব পরিবর্তন আনা কঠিন হতে পারে। তাই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর তারা গুরুত্ব দেন।
সভায় স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, হোটেল মালিক সমিতির ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।




































