ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে থানায় গিয়ে কিশোরীসহ ৩ জনকে মারধরের অভিযোগ
- সর্বশেষ আপডেট ১০:০৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
- / 7
ভোলার চরফ্যাসনে এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে থানায় অভিযোগ করতে যাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পরে অভিযোগ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা কিশোরী, তার মা ও বাবাকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চর আইচা গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী কিশোরী, বর্তমানে চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, জানান—গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় হারিয়ে যাওয়া একটি হাঁস খুঁজতে তিনি প্রতিবেশী জাকিরের বাড়িতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে বাগানের পাশে নির্জন স্থানে জাকির তাকে জাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
তিনি চিৎকার করলে অভিযুক্ত তার হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট গুঁজে দিয়ে বিষয়টি কাউকে না বলতে বলেন। পরে তিনি নিজেকে রক্ষা করে বাড়ি ফিরে মা ও বড় ভাবিকে ঘটনাটি জানান।
পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে দক্ষিণ আইচা থানায় নিয়ে যায়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো মামলা না নিয়ে স্থানীয় মাতব্বর রিয়াজ ফরাজী ও গ্রাম পুলিশ আলগীর হোসেনের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, ঘটনার পরদিন থানায় অভিযোগ করার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে জাকির হোসেন ও তার সহযোগীরা তার রিকশাচালক স্বামীকে মারধর করেন। স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তাকেও এবং তার কিশোরী মেয়েকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিনজনকে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে গ্রাম পুলিশ আলগীর হোসেন বলেন, অভিযুক্তকে থানায় হাজির করার পর রিয়াজ মাস্টার চিকিৎসার জন্য তার জিম্মায় নেন। সমঝোতার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তবে জিম্মাদার রিয়াজ ফরাজীর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান হাবিব ছুটিতে থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। থানার জ্যেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (সেকেন্ড অফিসার) এসআই মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। ওসির সঙ্গে কথা বলে অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে।































