ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 30

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে পাঁচ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার কিছু আগে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে স্থানীয় সময় ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিউইয়র্ক থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। দুবাইয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর রোববার স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে উড়াল দেয় তার বহনকারী ফ্লাইট।

নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। সফরকালে তার প্রায় ৩০টি কর্মসূচি ও ১১টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ছিল।

এসব কর্মসূচির মধ্যে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক ও পার্শ্ববৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে পাঁচ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার কিছু আগে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে স্থানীয় সময় ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিউইয়র্ক থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। দুবাইয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর রোববার স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে উড়াল দেয় তার বহনকারী ফ্লাইট।

নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। সফরকালে তার প্রায় ৩০টি কর্মসূচি ও ১১টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ছিল।

এসব কর্মসূচির মধ্যে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক ও পার্শ্ববৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।