চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেল নিয়ে ভিড়ছে একের পর এক জাহাজ
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / 2
চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়মিতভাবে একের পর এক জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ ভিড়ছে। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে জেট ফুয়েল এবং অন্যান্য দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল নিয়ে আসা জাহাজগুলো বর্তমানে বহির্নোঙরে অবস্থান করছে। মূলত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত খালাস কার্যক্রম চলছে। ফলে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বর্তমান পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক জাহাজ ভেড়ায় জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থা বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। শুক্রবার (২৪এপ্রিল) বিকেলে ৩৪ হাজার ৬৬৭ টন জেট ফুয়েল নিয়ে ‘শিং তং ৭৯৯’ নামে চীনা পতাকাবাহী জাহাজটি বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া ডিজেল নিয়ে আরও দুটি বড় ট্যাংকার বন্দরে ভিড়েছে। মূলত চাহিদা মেটাতে এই জ্বালানি আমদানি করা হয়েছে। বর্তমানে ডলফিন জেটি ও বহির্নোঙরে খালাস কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
জাহাজের আকার বড় হওয়ায় ডলফিন জেটিতে সবগুলোকে সরাসরি ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এই সমস্যা সমাধানে কুতুবদিয়া এঙ্করেজে ছোট লাইটার ভেসেল দিয়ে খালাস কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। মূলত ওভার-সাইজ জাহাজের কারণে এ ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। এছাড়া জেটিতে বার্থিং সংকটের কারণেও কিছুটা সময় লাগছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব জ্বালানি তেল খালাস করার জন্য কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বিপিএসির সূত্রে জানা গেছে, পরিশোধিত ডিজেল ও অকটেন নিয়ে আসা বেশ কয়েকটি জাহাজ বর্তমানে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য সৌদি আরব থেকে অপরিশোধিত তেল নিয়ে আরও একটি জাহাজ রওনা দিয়েছে। মূলত নিয়মিত জাহাজ আসার ফলে মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
বিপিএসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাপ্লাই চেইন বজায় রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া লাইটারিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত জ্বালানি পরিবহনের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিটি ধাপে সতর্কতার সাথে জ্বালানি তেল খালাস করা হচ্ছে। অবশেষে বলা যায়, নিয়মিত আমদানির ফলে দেশে কোনো জ্বালানি তেল সংকট হবে না। বর্তমান সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে কর্তৃপক্ষ বেশ আশাবাদী।





































