ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪৬ ঘণ্টা পর চালু বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 21

বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এটি

টানা প্রায় দুই দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আবারও উৎপাদনে ফিরেছে, যা উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি ফেরাতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

প্রায় ৪৬ ঘণ্টা পর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট আংশিকভাবে পুনরায় চালু করা হয়।

কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ইউনিটটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা সম্ভব হয়েছে। তিনি যুক্ত করে বলেন, বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ৫৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে উৎপাদন স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দৈনিক প্রায় ৭০০ মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন হবে এই ইউনিট সচল রাখতে। মূলত কয়লার সঙ্গে পাথর মিশে যাওয়ার কারণে ২২ এপ্রিল রাতে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে তিনি ব্যাখ্যা দেন।

কেন্দ্রটি চালু হওয়ায় পার্বতীপুরসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত আট জেলায় লোডশেডিং কিছুটা কমে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলছেন না সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিট আগেই বন্ধ রয়েছে, ফলে সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা ইতোমধ্যেই সীমিত হয়ে পড়েছিল।

এই প্রেক্ষাপটে প্রথম ইউনিটের আংশিক পুনরায় চালু হওয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি স্বস্তির অগ্রগতি হিসেবে দেখা হলেও, দীর্ঘমেয়াদে নিরবচ্ছিন্ন কয়লা সরবরাহ ও যান্ত্রিক স্থিতিশীলতা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে যাচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৪৬ ঘণ্টা পর চালু বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

টানা প্রায় দুই দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আবারও উৎপাদনে ফিরেছে, যা উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি ফেরাতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

প্রায় ৪৬ ঘণ্টা পর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট আংশিকভাবে পুনরায় চালু করা হয়।

কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ইউনিটটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা সম্ভব হয়েছে। তিনি যুক্ত করে বলেন, বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ৫৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে উৎপাদন স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দৈনিক প্রায় ৭০০ মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন হবে এই ইউনিট সচল রাখতে। মূলত কয়লার সঙ্গে পাথর মিশে যাওয়ার কারণে ২২ এপ্রিল রাতে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে তিনি ব্যাখ্যা দেন।

কেন্দ্রটি চালু হওয়ায় পার্বতীপুরসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত আট জেলায় লোডশেডিং কিছুটা কমে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলছেন না সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিট আগেই বন্ধ রয়েছে, ফলে সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা ইতোমধ্যেই সীমিত হয়ে পড়েছিল।

এই প্রেক্ষাপটে প্রথম ইউনিটের আংশিক পুনরায় চালু হওয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি স্বস্তির অগ্রগতি হিসেবে দেখা হলেও, দীর্ঘমেয়াদে নিরবচ্ছিন্ন কয়লা সরবরাহ ও যান্ত্রিক স্থিতিশীলতা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে যাচ্ছে।