ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলম্বিয়ায় সমন্বিত হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 202

কলম্বিয়ায় সমন্বিত হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত

কলম্বিয়ায় বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঘটে গেল একের পর এক ভয়াবহ হামলা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘটিত এই সহিংস ঘটনায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় অ্যান্টিওকিয়া প্রদেশের আমালফি এলাকায় একটি মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশ হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ১২ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়েছেন।

একই দিনে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ক্যালিতে একটি সামরিক বিমানঘাঁটির কাছে ট্রাকবোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে অন্তত ৫ জন নিহত ও ৩০ থেকে ৭০ জনের বেশি আহত হন। বিস্ফোরণে আশপাশের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু মানুষ আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন।

সরকারি সূত্র বলছে, এ ধরনের হামলার পেছনে দায়ী প্রাক্তন FARC গেরিলাদের ভিন্নমতাবলম্বী দলগুলো। যারা ২০১৬ সালের শান্তিচুক্তি প্রত্যাখ্যান করে এখনও সক্রিয় রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো হামলাগুলোকে “সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি তদন্ত ও অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, ক্যালির মেয়র অ্যালেজান্ড্রো এদার হামলার তথ্য প্রদানকারীর জন্য প্রায় ১ কোটি কোলম্বিয়ান পেসো (প্রায় ১ লাখ মার্কিন ডলার) পুরস্কার ঘোষণা করেছেন।

কলম্বিয়ায় গত কয়েক বছরে সহিংসতা কমলেও, প্রাক্তন গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর বিচ্ছিন্ন অংশ এবং মাদকচক্রগুলো আবারও সক্রিয় হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক হামলাগুলো দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কলম্বিয়ায় সমন্বিত হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত

সর্বশেষ আপডেট ০১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

কলম্বিয়ায় বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঘটে গেল একের পর এক ভয়াবহ হামলা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘটিত এই সহিংস ঘটনায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় অ্যান্টিওকিয়া প্রদেশের আমালফি এলাকায় একটি মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশ হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ১২ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়েছেন।

একই দিনে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ক্যালিতে একটি সামরিক বিমানঘাঁটির কাছে ট্রাকবোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে অন্তত ৫ জন নিহত ও ৩০ থেকে ৭০ জনের বেশি আহত হন। বিস্ফোরণে আশপাশের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু মানুষ আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন।

সরকারি সূত্র বলছে, এ ধরনের হামলার পেছনে দায়ী প্রাক্তন FARC গেরিলাদের ভিন্নমতাবলম্বী দলগুলো। যারা ২০১৬ সালের শান্তিচুক্তি প্রত্যাখ্যান করে এখনও সক্রিয় রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো হামলাগুলোকে “সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি তদন্ত ও অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, ক্যালির মেয়র অ্যালেজান্ড্রো এদার হামলার তথ্য প্রদানকারীর জন্য প্রায় ১ কোটি কোলম্বিয়ান পেসো (প্রায় ১ লাখ মার্কিন ডলার) পুরস্কার ঘোষণা করেছেন।

কলম্বিয়ায় গত কয়েক বছরে সহিংসতা কমলেও, প্রাক্তন গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর বিচ্ছিন্ন অংশ এবং মাদকচক্রগুলো আবারও সক্রিয় হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক হামলাগুলো দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।