ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইকুয়েডরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 111

ছবি সংগৃহীত

ইকুয়েডরের দক্ষিণাঞ্চলের আজুয়ায় প্রদেশে পাহাড়ি মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৯ জন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার বরাতে জানা যায়, বুধবার (১৫ এপ্রিল) কুয়েনকা-মলেতুরো মহাসড়কের এল-চোরো ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় দ্রুতগতির একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায়। মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে প্রাণহানি ও ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জরুরি সেবা সংস্থা ইসিইউ৯১১ জানায়, এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থল থেকে ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ ও খাড়া বাঁক এই অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে, যা এ ঘটনার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইকুয়েডরের মতো পাহাড়ি দেশে দ্রুতগতি, চালকের অসতর্কতা এবং ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক অবকাঠামো প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সরকারি পরিসংখ্যানও বলছে, দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর হাজারো মানুষ প্রাণ হারান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইকুয়েডরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইকুয়েডরের দক্ষিণাঞ্চলের আজুয়ায় প্রদেশে পাহাড়ি মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৯ জন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার বরাতে জানা যায়, বুধবার (১৫ এপ্রিল) কুয়েনকা-মলেতুরো মহাসড়কের এল-চোরো ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় দ্রুতগতির একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায়। মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে প্রাণহানি ও ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জরুরি সেবা সংস্থা ইসিইউ৯১১ জানায়, এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থল থেকে ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ঠিক কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ ও খাড়া বাঁক এই অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে, যা এ ঘটনার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইকুয়েডরের মতো পাহাড়ি দেশে দ্রুতগতি, চালকের অসতর্কতা এবং ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক অবকাঠামো প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সরকারি পরিসংখ্যানও বলছে, দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর হাজারো মানুষ প্রাণ হারান।