ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুণীজনের পথেই নতুন বাংলাদেশ: সংস্কৃতি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / 90

বাংলা একাডেমি এই সেমিনার সিরিজে বহু গুরুত্বপূর্ণ কবি-লেখক-বুদ্ধিজীবী এবং সংস্কৃতিসাধকদের নিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছে যা আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

আমরা আশা করি, এর মধ্য দিয়ে শিল্প-সংস্কৃতির গুণীজনদের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জনপরিসরে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হবে এবং তাঁদের পথরেখা অনুসরণ করে নতুন বাংলাদেশ নির্মিত হবে বললেন সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা।

শনিবার (২৭ জুন ) কবি আবুল হাসান, অনুবাদক ও শিক্ষাবিদ মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ, শিশুসাহিত্যিক ফয়েজ আহ্মদ এবং কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্মরণে বাংলা একাডেমি আয়োজিত সেমিনার সিরিজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এ মন্তব্য করেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সভাগৃহে সেমিনার সিরিজ ২০২৫-২৬-এর অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।

অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, বাংলা একাডেমির সেমিনার সিরিজ ২০২৫-২০২৬ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা একাডেমিতে এবং একাডেমির সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের গুণীজনদের নিয়ে বেশ কিছু সেমিনার অনুষ্ঠিত হলো। এরই ধারাবাহিকতায় আজ কবি আবুল হাসান, অনুবাদক ও গবেষক মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ, শিশুসাহিত্যিক ফয়েজ আহ্মদ এবং কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে নিয়ে আমাদের নির্ধারিত আলোচনা। আশা করা যায়, এর মধ্য দিয়ে আলোচিত গুণীজনদের জীবন ও কৃতি বিষয়ে কিছুটা হলেও নতুন আগ্রহ ও জিজ্ঞাসা তৈরি হবে।

প্রথম পর্বে ‘নীরবতায় সবচেয়ে স্পষ্ট, উজ্জ্বল মুখ : আবুল হাসান’ শীর্ষক প্রথম সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও সমালোচক মৃদুল মাহবুব। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ও প্রাবন্ধিক সৈকত হাবিব। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন কবি ও গবেষক অধ্যাপক সুমন সাজ্জাদ।

বক্তারা বলেন, আবুল হাসান বাংলা কবিতার এক বিশেষ আলোকস্তম্ভ। স্বল্পায়ু জীবনে আমাদের কবিতাভুবনে তিনি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে গেছেন। তবে এখন তাঁকে কেবল আবেগের পরিসরে অবলোকন না করে সুচারু বিশ্লেষণের অবকাশ রয়েছে। ব্যক্তিমানুষের আর্ত মনোলোকের পাশাপাশি সমষ্টিমানুষের চিরায়ত আর্তনাদকে তিনি যে সোনালি নন্দনে পরিস্ফুট করেছেন তার মর্মমূল সন্ধান করতে হবে আমাদের কবিতার ইতিহাস অনুধাবনের প্রয়োজনেই।

দ্বিতীয় পর্বে দুপুর ১২টায় ‘মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ : নিভৃতিমগ্ন সাহিত্যসাধক’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও সম্পাদক হাসান হাফিজ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ড. সরকার আমিন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক মাসরুর শাহিদ হোসেন।

বক্তারা বলেন, মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ ছিলেন ধীমান গবেষক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। সহজিয়া দর্শনে স্নাত ছিল তাঁর মনোলোক। বাংলা কবিতার ইংরেজি অনুবাদে তিনি যেমন অনন্য তেমনি বাংলা কবিতা ও সামগ্রিক সাহিত্য নিয়েও তিনি ভাবনাসঞ্চারী প্রবন্ধ-গবেষণায় নিষ্ঠ ছিলেন আমৃত্যু। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি যে অসাধারণ দক্ষতা ও উদ্ভাবনময়তার পরিচয় দিয়েছেন তা কখনও ভুলবার নয়।

তৃতীয় পর্বে দুপুর আড়াইটায় ‘ফয়েজ আহ্মদের ছড়া’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লেখক ও গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাহিত্যিক ও গবেষক অধ্যাপক খালেদ হোসাইন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
বক্তারা বলেন, ফয়েজ আহ্মদ বাংলাদেশের ছড়াসাহিত্যে এক কিংবদন্তির নাম। তিনি সমকালীন অসঙ্গতিকে ছড়ার অস্ত্রে তীব্রভাবে বিদ্ধ করে সমস্ত কলুষ ও তমসের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। শিশুকিশোরমনের চিরকালীন ঘরে তিনি ছড়াকার হিসেবে শক্তিশালী আসন অধিকার করে আছেন। নির্মল আনন্দের পাশাপাশি শিক্ষার আলোয় নতুন প্রজন্মকে গড়বার জন্য তাঁর সাহিত্যপ্রয়াস কখনও ভুলবার নয়। উত্তরকালের নবীনদের জন্য একটি সুস্থ-সুন্দর পৃথিবী প্রতিষ্ঠার মানসেই তিনি রাজপথে নেমেছেন, প্রগতির আগামীকে সম্প্রসারিত করেছেন।

চতুর্থ পর্বে বিকেল ৪টায় “মেলায় হারানো ‘পবিত্র পাগল’ও তার খোয়াবনামা” শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও প্রাবন্ধিক ফারুক ওয়াসিফ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন গবেষক ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক হাসান আল জায়েদ। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন অনুবাদক ও গবেষক অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস।

বক্তারা বলেন, বাংলা কথাসাহিত্যের এক হিরণ¥য় নক্ষত্র আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। তাঁর কথাশিল্পের মাটি, মানুষ এই জনপদের অকথিত আখ্যান অনন্যসাধারণ ভঙ্গিতে বয়ান করে চলে পাঠকের কাছে। গল্প ও উপন্যাসে ইলিয়াস পুরান ঢাকা থেকে গ্রামগহীনের জীবনঘেঁষা কথাকে শিল্প করে তুলেন অনায়াস দক্ষতায়। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কথাসাহিত্যে বাংলার মানুষের সুদীর্ঘ লড়াকু ইতিহাস লাভ করেছে কালোত্তীর্ণ শিল্পভাষা।
সেমিনার সিরিজের পর্বসমূহ সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির উপপরিচালক ইমরুল ইউসুফ ও সহপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড.মাহবুবা রহমান।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গুণীজনের পথেই নতুন বাংলাদেশ: সংস্কৃতি সচিব

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

বাংলা একাডেমি এই সেমিনার সিরিজে বহু গুরুত্বপূর্ণ কবি-লেখক-বুদ্ধিজীবী এবং সংস্কৃতিসাধকদের নিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছে যা আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

আমরা আশা করি, এর মধ্য দিয়ে শিল্প-সংস্কৃতির গুণীজনদের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জনপরিসরে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হবে এবং তাঁদের পথরেখা অনুসরণ করে নতুন বাংলাদেশ নির্মিত হবে বললেন সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা।

শনিবার (২৭ জুন ) কবি আবুল হাসান, অনুবাদক ও শিক্ষাবিদ মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ, শিশুসাহিত্যিক ফয়েজ আহ্মদ এবং কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্মরণে বাংলা একাডেমি আয়োজিত সেমিনার সিরিজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এ মন্তব্য করেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সভাগৃহে সেমিনার সিরিজ ২০২৫-২৬-এর অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।

অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, বাংলা একাডেমির সেমিনার সিরিজ ২০২৫-২০২৬ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা একাডেমিতে এবং একাডেমির সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের গুণীজনদের নিয়ে বেশ কিছু সেমিনার অনুষ্ঠিত হলো। এরই ধারাবাহিকতায় আজ কবি আবুল হাসান, অনুবাদক ও গবেষক মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ, শিশুসাহিত্যিক ফয়েজ আহ্মদ এবং কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে নিয়ে আমাদের নির্ধারিত আলোচনা। আশা করা যায়, এর মধ্য দিয়ে আলোচিত গুণীজনদের জীবন ও কৃতি বিষয়ে কিছুটা হলেও নতুন আগ্রহ ও জিজ্ঞাসা তৈরি হবে।

প্রথম পর্বে ‘নীরবতায় সবচেয়ে স্পষ্ট, উজ্জ্বল মুখ : আবুল হাসান’ শীর্ষক প্রথম সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও সমালোচক মৃদুল মাহবুব। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ও প্রাবন্ধিক সৈকত হাবিব। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন কবি ও গবেষক অধ্যাপক সুমন সাজ্জাদ।

বক্তারা বলেন, আবুল হাসান বাংলা কবিতার এক বিশেষ আলোকস্তম্ভ। স্বল্পায়ু জীবনে আমাদের কবিতাভুবনে তিনি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে গেছেন। তবে এখন তাঁকে কেবল আবেগের পরিসরে অবলোকন না করে সুচারু বিশ্লেষণের অবকাশ রয়েছে। ব্যক্তিমানুষের আর্ত মনোলোকের পাশাপাশি সমষ্টিমানুষের চিরায়ত আর্তনাদকে তিনি যে সোনালি নন্দনে পরিস্ফুট করেছেন তার মর্মমূল সন্ধান করতে হবে আমাদের কবিতার ইতিহাস অনুধাবনের প্রয়োজনেই।

দ্বিতীয় পর্বে দুপুর ১২টায় ‘মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ : নিভৃতিমগ্ন সাহিত্যসাধক’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও সম্পাদক হাসান হাফিজ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ড. সরকার আমিন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক মাসরুর শাহিদ হোসেন।

বক্তারা বলেন, মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ ছিলেন ধীমান গবেষক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। সহজিয়া দর্শনে স্নাত ছিল তাঁর মনোলোক। বাংলা কবিতার ইংরেজি অনুবাদে তিনি যেমন অনন্য তেমনি বাংলা কবিতা ও সামগ্রিক সাহিত্য নিয়েও তিনি ভাবনাসঞ্চারী প্রবন্ধ-গবেষণায় নিষ্ঠ ছিলেন আমৃত্যু। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি যে অসাধারণ দক্ষতা ও উদ্ভাবনময়তার পরিচয় দিয়েছেন তা কখনও ভুলবার নয়।

তৃতীয় পর্বে দুপুর আড়াইটায় ‘ফয়েজ আহ্মদের ছড়া’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লেখক ও গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাহিত্যিক ও গবেষক অধ্যাপক খালেদ হোসাইন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
বক্তারা বলেন, ফয়েজ আহ্মদ বাংলাদেশের ছড়াসাহিত্যে এক কিংবদন্তির নাম। তিনি সমকালীন অসঙ্গতিকে ছড়ার অস্ত্রে তীব্রভাবে বিদ্ধ করে সমস্ত কলুষ ও তমসের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। শিশুকিশোরমনের চিরকালীন ঘরে তিনি ছড়াকার হিসেবে শক্তিশালী আসন অধিকার করে আছেন। নির্মল আনন্দের পাশাপাশি শিক্ষার আলোয় নতুন প্রজন্মকে গড়বার জন্য তাঁর সাহিত্যপ্রয়াস কখনও ভুলবার নয়। উত্তরকালের নবীনদের জন্য একটি সুস্থ-সুন্দর পৃথিবী প্রতিষ্ঠার মানসেই তিনি রাজপথে নেমেছেন, প্রগতির আগামীকে সম্প্রসারিত করেছেন।

চতুর্থ পর্বে বিকেল ৪টায় “মেলায় হারানো ‘পবিত্র পাগল’ও তার খোয়াবনামা” শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও প্রাবন্ধিক ফারুক ওয়াসিফ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন গবেষক ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক হাসান আল জায়েদ। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন অনুবাদক ও গবেষক অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস।

বক্তারা বলেন, বাংলা কথাসাহিত্যের এক হিরণ¥য় নক্ষত্র আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। তাঁর কথাশিল্পের মাটি, মানুষ এই জনপদের অকথিত আখ্যান অনন্যসাধারণ ভঙ্গিতে বয়ান করে চলে পাঠকের কাছে। গল্প ও উপন্যাসে ইলিয়াস পুরান ঢাকা থেকে গ্রামগহীনের জীবনঘেঁষা কথাকে শিল্প করে তুলেন অনায়াস দক্ষতায়। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কথাসাহিত্যে বাংলার মানুষের সুদীর্ঘ লড়াকু ইতিহাস লাভ করেছে কালোত্তীর্ণ শিল্পভাষা।
সেমিনার সিরিজের পর্বসমূহ সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির উপপরিচালক ইমরুল ইউসুফ ও সহপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড.মাহবুবা রহমান।