ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরব সাগরে ব্রিটিশ পারমাণবিক সাবমেরিন, উত্তেজনায় নতুন মাত্রা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
  • / 125

১,০০০ মাইল পাল্লার টমাহক ব্লক IV ভূমি-আক্রমণ ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্পিয়ারফিশ ভারী টর্পেডো সজ্জিত এইচএমএস অ্যানসন ৬ই মার্চ পার্থ বন্দর ত্যাগ করে।

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সামরিক টানাপোড়েনের মধ্যেই আরব সাগরে ব্রিটিশ একটি পারমাণবিক সাবমেরিনের উপস্থিতি নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—পরিস্থিতি কি আরও জটিলের দিকে যাচ্ছে?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জোরালো আলোচনা যখন অঞ্চলজুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে, ঠিক তখনই যুক্তরাজ্যের একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আরব সাগরে পৌঁছানোর খবর সামনে আসে। একটি ব্রিটিশ ট্যাবলয়েডে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘এইচএমএস অ্যানসন’ নামের সাবমেরিনটি চলতি মাসের শুরুর দিকে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ বন্দর ছেড়ে যাত্রা করে। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এটি এখন হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি উত্তর আরব সাগরে অবস্থান নিচ্ছে—এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে, যদিও এ ধরনের মোতায়েনের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা সচরাচর স্পষ্টভাবে দেওয়া হয় না।

সাবমেরিনটির সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। এতে টমাহক ব্লক-৪ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যার আঘাত হানার পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। পাশাপাশি স্পিয়ারফিশ শ্রেণির ভারী টর্পেডো যুক্ত থাকায় এটি সমুদ্র ও স্থল—দুই ধরনের লক্ষ্যবস্তুতেই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

এদিকে রাজনৈতিক স্তরেও ইঙ্গিত মিলছে নতুন সমীকরণের। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বাড়তে থাকায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন—এমন দাবিও একই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কতটা নিশ্চিত, তা নিয়ে অবশ্য এখনো কিছুটা অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।

সব মিলিয়ে, সামরিক উপস্থিতি ও কূটনৈতিক বার্তার এই সমান্তরাল গতিপ্রবাহ পরিস্থিতিকে কোন দিকে নিয়ে যাবে—তা এখনই স্পষ্ট নয়। তবে উত্তেজনার রেখাটি যে আরও গাঢ় হচ্ছে, সেটি অস্বীকার করা কঠিন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরব সাগরে ব্রিটিশ পারমাণবিক সাবমেরিন, উত্তেজনায় নতুন মাত্রা

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সামরিক টানাপোড়েনের মধ্যেই আরব সাগরে ব্রিটিশ একটি পারমাণবিক সাবমেরিনের উপস্থিতি নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—পরিস্থিতি কি আরও জটিলের দিকে যাচ্ছে?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জোরালো আলোচনা যখন অঞ্চলজুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে, ঠিক তখনই যুক্তরাজ্যের একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আরব সাগরে পৌঁছানোর খবর সামনে আসে। একটি ব্রিটিশ ট্যাবলয়েডে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘এইচএমএস অ্যানসন’ নামের সাবমেরিনটি চলতি মাসের শুরুর দিকে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ বন্দর ছেড়ে যাত্রা করে। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এটি এখন হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি উত্তর আরব সাগরে অবস্থান নিচ্ছে—এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে, যদিও এ ধরনের মোতায়েনের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা সচরাচর স্পষ্টভাবে দেওয়া হয় না।

সাবমেরিনটির সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। এতে টমাহক ব্লক-৪ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যার আঘাত হানার পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। পাশাপাশি স্পিয়ারফিশ শ্রেণির ভারী টর্পেডো যুক্ত থাকায় এটি সমুদ্র ও স্থল—দুই ধরনের লক্ষ্যবস্তুতেই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

এদিকে রাজনৈতিক স্তরেও ইঙ্গিত মিলছে নতুন সমীকরণের। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বাড়তে থাকায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন—এমন দাবিও একই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কতটা নিশ্চিত, তা নিয়ে অবশ্য এখনো কিছুটা অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।

সব মিলিয়ে, সামরিক উপস্থিতি ও কূটনৈতিক বার্তার এই সমান্তরাল গতিপ্রবাহ পরিস্থিতিকে কোন দিকে নিয়ে যাবে—তা এখনই স্পষ্ট নয়। তবে উত্তেজনার রেখাটি যে আরও গাঢ় হচ্ছে, সেটি অস্বীকার করা কঠিন।