ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৪, আহত ১০

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / 163

গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৪, আহত ১০

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দক্ষিণ আলিয়ারা গ্রামে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের এই গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রয়েছেন রোকন আলীর স্ত্রী শরিফা বেগম (৬০), জাকির হোসেনের ছেলে ওসমান (১৬), জাকির হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০) ও বশির আহম্মেদের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫৫)। আহতদের প্রথমে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

দায়িত্বরত চিকিৎসক শিমা মজুমদার জানান, দুপুর ১টার পর তিন নারী ও এক কিশোর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত কুমিল্লায় রেফার করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ হোসনেয়ারা বেগম বলেন, “দোতলা মসজিদের সামনে শেখ ফরিদের লোকজন আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আমি সহ আরও কয়েকজন আহত হই।”

অভিযুক্ত শেখ ফরিদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক জানান, “দুই পক্ষের মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর আমরা এখনো নিশ্চিত নই। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।”

স্থানীয়ভাবে বিরোধটি দীর্ঘদিনের বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৪, আহত ১০

সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দক্ষিণ আলিয়ারা গ্রামে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের এই গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রয়েছেন রোকন আলীর স্ত্রী শরিফা বেগম (৬০), জাকির হোসেনের ছেলে ওসমান (১৬), জাকির হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০) ও বশির আহম্মেদের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫৫)। আহতদের প্রথমে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

দায়িত্বরত চিকিৎসক শিমা মজুমদার জানান, দুপুর ১টার পর তিন নারী ও এক কিশোর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত কুমিল্লায় রেফার করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ হোসনেয়ারা বেগম বলেন, “দোতলা মসজিদের সামনে শেখ ফরিদের লোকজন আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আমি সহ আরও কয়েকজন আহত হই।”

অভিযুক্ত শেখ ফরিদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক জানান, “দুই পক্ষের মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর আমরা এখনো নিশ্চিত নই। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।”

স্থানীয়ভাবে বিরোধটি দীর্ঘদিনের বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।