সিজিএসের আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদে পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 21
সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানসহ পাঁচজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেছে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। নতুন এই পরিষদে সুশাসন, কূটনীতি, জনপ্রশাসন ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন খাতের অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা যুক্ত হয়েছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ তথ্য জানানো হয়।
সিজিএসের আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ, মালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুসা মারা, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল পাবলিক ম্যানেজমেন্ট নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট ড. ক্লে জি. ওয়েসকট, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও বেকার অ্যান্ড ইয়র্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এরিন ওয়াটসন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. তানিয়েল বেদিয়া তাইসি।
বরিস তাদিচ ২০০৪ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কূটনীতি ও ইউরোপীয় একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। মুসা মারা মালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি ক্লাব ডি মাদ্রিদের বোর্ড সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও জবাবদিহিতা বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ড. ক্লে জি. ওয়েসকট জনপ্রশাসন, সুশাসন সংস্কার ও দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। ড. এরিন ওয়াটসনের কাজের ক্ষেত্র কূটনীতি, জননীতি ও কৌশলগত পরামর্শ। অন্যদিকে, ড. তানিয়েল বেদিয়া তাইসি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, মানবাধিকার ও লিঙ্গসমতা নিয়ে কাজ করেছেন।
আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদ গঠন প্রসঙ্গে সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এ পরিষদ গঠন সংস্থাটির আন্তর্জাতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ মতামত সিজিএসের গবেষণাকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক পরিসরে গণতান্ত্রিক সুশাসন, জবাবদিহিতা ও তথ্যপ্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে এই পরিষদ সহায়তা করবে।
সিজিএসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নবগঠিত উপদেষ্টা পরিষদ সংস্থাটির গবেষণা ও নীতিবিষয়ক কার্যক্রমে কৌশলগত পরামর্শ দেবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতেও কাজ করবে পরিষদটি।



































