ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরফ্যাশনে জি-৩ রুইয়ের পোনা বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চরফ্যাশন (ভোলা)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 18

চরফ্যাশনে জি-৩ রুইয়ের পোনা বিতরণ

ভোলার চরফ্যাশনে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষে চাষিদের উৎসাহিত করতে উন্নত জাতের দ্রুত বর্ধনশীল জি-৩ রুই মাছের পোনা ও পুকুর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ)-এর যৌথ উদ্যোগে এগ্রো মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের (AMDU) আওতায় মৎস্য খাতের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে পাঁচজন নির্বাচিত মৎস্যচাষির হাতে জি-৩ রুইয়ের পোনা, ঝাঁকিজাল, পুকুরের চুন, রাসায়নিক সার ও সাইনবোর্ড তুলে দেন এফডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন। এ সময় সংস্থাটির সিনিয়র প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী শংকর চন্দ্র দেবনাথ ও মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, আধুনিক চাষ পদ্ধতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে নির্বাচিত পাঁচজন সফল সদস্যকে প্রাথমিকভাবে উন্নত জাতের পোনা ও পুকুর ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য স্থানীয় পর্যায়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো, আমিষের চাহিদা পূরণ এবং মৎস্যচাষিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান জানান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) উদ্ভাবিত জি-৩ রুই সাধারণ রুইয়ের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি দ্রুত বাড়ে এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও রয়েছে। আধুনিক পদ্ধতিতে এ মাছ চাষ করলে তুলনামূলক কম সময়ে চাষিরা বেশি লাভ করতে পারবেন।

এফডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, শুধু উপকরণ বিতরণ নয়, চাষিদের পুকুর প্রস্তুত, সুষম খাদ্য প্রয়োগ এবং পানির গুণাগুণ ঠিক রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পিকেএসএফের সহযোগিতায় এফডিএর AMDU কার্যক্রমের মাধ্যমে মৎস্য খাতের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদন সক্ষমতা ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি চাষিদের আর্থিক সক্ষমতা ও জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।

উন্নত জাতের পোনা ও বিভিন্ন উপকরণ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন সুবিধাভোগী চাষিরা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং অন্যান্য চাষিকেও আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষে উৎসাহিত করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চরফ্যাশনে জি-৩ রুইয়ের পোনা বিতরণ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশনে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষে চাষিদের উৎসাহিত করতে উন্নত জাতের দ্রুত বর্ধনশীল জি-৩ রুই মাছের পোনা ও পুকুর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ)-এর যৌথ উদ্যোগে এগ্রো মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের (AMDU) আওতায় মৎস্য খাতের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে পাঁচজন নির্বাচিত মৎস্যচাষির হাতে জি-৩ রুইয়ের পোনা, ঝাঁকিজাল, পুকুরের চুন, রাসায়নিক সার ও সাইনবোর্ড তুলে দেন এফডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন। এ সময় সংস্থাটির সিনিয়র প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী শংকর চন্দ্র দেবনাথ ও মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, আধুনিক চাষ পদ্ধতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে নির্বাচিত পাঁচজন সফল সদস্যকে প্রাথমিকভাবে উন্নত জাতের পোনা ও পুকুর ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য স্থানীয় পর্যায়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো, আমিষের চাহিদা পূরণ এবং মৎস্যচাষিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান জানান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) উদ্ভাবিত জি-৩ রুই সাধারণ রুইয়ের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি দ্রুত বাড়ে এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও রয়েছে। আধুনিক পদ্ধতিতে এ মাছ চাষ করলে তুলনামূলক কম সময়ে চাষিরা বেশি লাভ করতে পারবেন।

এফডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, শুধু উপকরণ বিতরণ নয়, চাষিদের পুকুর প্রস্তুত, সুষম খাদ্য প্রয়োগ এবং পানির গুণাগুণ ঠিক রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পিকেএসএফের সহযোগিতায় এফডিএর AMDU কার্যক্রমের মাধ্যমে মৎস্য খাতের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদন সক্ষমতা ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি চাষিদের আর্থিক সক্ষমতা ও জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।

উন্নত জাতের পোনা ও বিভিন্ন উপকরণ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন সুবিধাভোগী চাষিরা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং অন্যান্য চাষিকেও আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষে উৎসাহিত করবে।