সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা, রুলিং দিলেন ডেপুটি স্পিকার
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- / 8
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ৩০০ বিধির বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদে তীব্র বিরোধ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও হট্টগোলে অচলাবস্থা তৈরি হয়। পরে ডেপুটি স্পিকারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
জাতীয় সংসদের রবিবারের অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের দেওয়া একটি বিবৃতি ঘিরে হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের এক নিখোঁজ নেতাকে উদ্ধার এবং পরবর্তী তদন্তে পাওয়া তথ্য সংসদে উপস্থাপন করেন। বিষয়টি ঘিরে বিরোধী দল তাৎক্ষণিকভাবে আপত্তি তোলে।
বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তাহের দাঁড়িয়ে বক্তব্যের জবাব দিতে চাইলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল হস্তক্ষেপ করে রুলিং দেন, যার পরপরই সংসদ কক্ষে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও হট্টগোল শুরু হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে বলা হয়, কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ হওয়া ওই ছাত্রনেতার বিষয়ে জিডি হওয়ার পর পুলিশ তদন্তে একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও অভিযোগ-সংক্রান্ত তথ্য পায়। পরে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে মামলা ও বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এরপর বিরোধী দল অভিযোগ তোলে যে, ৩০০ বিধির সুযোগ নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাটিকে পক্ষপাতমূলক হিসেবে উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলে নিখোঁজ ব্যক্তির বর্তমান অবস্থান এবং তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে।
সংসদে দু’পক্ষের সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে এক পর্যায়ে কক্ষ কার্যত অচলাবস্থায় পড়ে। স্পিকার বারবার সদস্যদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং নিজ নিজ আসনে বসার অনুরোধ করেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ডেপুটি স্পিকার জানান, ৩০০ বিধির বক্তব্যের পর সরাসরি প্রশ্ন বা বিতর্কের সুযোগ নেই। একই সঙ্গে তিনি রুলিং দিয়ে বলেন, বক্তব্যে কোনো অসংসদীয় অংশ থাকলে তা পর্যালোচনা করে পরে রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে সংসদের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা হয়।

































