ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু রামিসা হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 17

ডিএনএ রিপোর্ট পেয়েছে পুলিশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে ঘিরে তদন্তে উঠে এসেছে ভয়াবহ ও নির্মম বর্ণনা, যা স্থানীয়দের পাশাপাশি পুরো শহরকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার (২৪ মে) দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশিট জমা দেন। এতে সোহেল রানা প্রধান আসামি হিসেবে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সহায়তা ও আলামত নষ্টের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসাকে জোরপূর্বক ফ্ল্যাটে নিয়ে যান সোহেল রানা। তখন তার স্ত্রী ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর লাশ গোপনের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দেহ বিচ্ছিন্ন করে একটি বালতিতে লুকিয়ে রাখা হয়।

ঘটনার সময় আশপাশে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। এ অবস্থায় জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হলেও সোহেল রানা পালিয়ে যান, যাকে পরে ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জবানবন্দিতে তিনি অপরাধের দায় স্বীকার করেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

নিহত রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা ঘটনার পর পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করায় মামলাটি এখন বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিশু রামিসা হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিল

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে ঘিরে তদন্তে উঠে এসেছে ভয়াবহ ও নির্মম বর্ণনা, যা স্থানীয়দের পাশাপাশি পুরো শহরকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার (২৪ মে) দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশিট জমা দেন। এতে সোহেল রানা প্রধান আসামি হিসেবে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সহায়তা ও আলামত নষ্টের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসাকে জোরপূর্বক ফ্ল্যাটে নিয়ে যান সোহেল রানা। তখন তার স্ত্রী ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর লাশ গোপনের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দেহ বিচ্ছিন্ন করে একটি বালতিতে লুকিয়ে রাখা হয়।

ঘটনার সময় আশপাশে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। এ অবস্থায় জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হলেও সোহেল রানা পালিয়ে যান, যাকে পরে ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জবানবন্দিতে তিনি অপরাধের দায় স্বীকার করেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

নিহত রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা ঘটনার পর পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করায় মামলাটি এখন বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে।