ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের তোড়জোড়

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 42

নবম পে-স্কেল

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই লক্ষ্যে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এককালীন সুবিধা না দিয়ে কয়েক ধাপে ২০২৯ সালের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি এই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার এবং আসন্ন বাজেটের আগেই চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

সরকারি চাকরীজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, অর্থ মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে একটি বড় অংকের বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে। মূলত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের তোড়জোড় শুরু হয়েছে কারণ ২০১৫ সালের পর থেকে জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মূল বেতনের একটি অংশ বৃদ্ধি করে কর্মচারীদের স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে এবং পরবর্তী তিন বছরে তা ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ এড়াতে কিস্তিভিত্তিক পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে প্রায় ১৪ লাখ কর্মরত কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের তোড়জোড় প্রক্রিয়ায় সিভিল প্রশাসনের পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো নিয়েও কাজ চলছে। সরকারের এই কৌশলগত পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো মুদ্রাস্ফীতির বাজারে কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো।

এদিকে, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি অবিলম্বে বেতন কমিশনের সুপারিশ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে। নেতাদের মতে, দীর্ঘসূত্রতার কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বর্তমানে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের তোড়জোড় চললেও স্পষ্ট কোনো সরকারি ঘোষণা না আসায় প্রশাসনের মধ্যে কিছুটা হতাশা বিরাজ করছে। পরিশেষে বলা যায়, বাজেট প্রণয়নের আগে সচিব পর্যায়ের কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে এবং পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত হলে এটি প্রশাসনের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের তোড়জোড়

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই লক্ষ্যে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এককালীন সুবিধা না দিয়ে কয়েক ধাপে ২০২৯ সালের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি এই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার এবং আসন্ন বাজেটের আগেই চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

সরকারি চাকরীজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, অর্থ মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে একটি বড় অংকের বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে। মূলত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের তোড়জোড় শুরু হয়েছে কারণ ২০১৫ সালের পর থেকে জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মূল বেতনের একটি অংশ বৃদ্ধি করে কর্মচারীদের স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে এবং পরবর্তী তিন বছরে তা ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ এড়াতে কিস্তিভিত্তিক পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে প্রায় ১৪ লাখ কর্মরত কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের তোড়জোড় প্রক্রিয়ায় সিভিল প্রশাসনের পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো নিয়েও কাজ চলছে। সরকারের এই কৌশলগত পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো মুদ্রাস্ফীতির বাজারে কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো।

এদিকে, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি অবিলম্বে বেতন কমিশনের সুপারিশ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে। নেতাদের মতে, দীর্ঘসূত্রতার কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বর্তমানে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের তোড়জোড় চললেও স্পষ্ট কোনো সরকারি ঘোষণা না আসায় প্রশাসনের মধ্যে কিছুটা হতাশা বিরাজ করছে। পরিশেষে বলা যায়, বাজেট প্রণয়নের আগে সচিব পর্যায়ের কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে এবং পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত হলে এটি প্রশাসনের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।