ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড. ইউনূসের বিচারের দাবিতে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 38

ড. মুহাম্মদ ইউনূস

হাম মহামারিতে শিশুমৃত্যুর জন্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিচার দাবিতে ঢাকার আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন একদল আইনজীবী।

বুধবার (১৩ মে) বিকেলে মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, টিকার সংগ্রহপদ্ধতি পরিবর্তনের কারণে দেশে টিকার সংকট তৈরি হয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, এবি পার্টি স্বাস্থ্য খাতের অসংগতি তদন্তে স্বাধীন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে।

দেশের স্বাস্থ্য খাতে অব্যবস্থাপনা ও হামের টিকা সংকটের অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আইনজীবীরা অংশ নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মূলত ড. ইউনূসের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করার কারণ হিসেবে বক্তারা উল্লেখ করেন যে, ইউনিসেফের সতর্কতা সত্ত্বেও টিকার প্রচলিত সংগ্রহপদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়েছিল। এর ফলে হামের টিকার তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং ৪ শতাধিক শিশু প্রাণ হারায়।

বিক্ষোভ সমাবেশে আইনজীবীরা দাবি করেন, তৎকালীন সরকারের চরম গাফিলতির কারণেই সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কায়েস আহমেদ অর্ণব নামে এক আইনজীবী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও নূরজাহান বেগমকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

বর্তমানে ড. ইউনূসের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কয়েকজন আইনজীবী চোখে ও মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

এদিকে, এবি পার্টির পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি তদন্তে একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। দলটির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিগত সরকারের টিকাদানের উচ্চহার সংক্রান্ত তথ্যে বিভ্রান্তি থাকতে পারে।

বর্তমানে ড. ইউনূসের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ চললেও ফুয়াদ মনে করেন, ঢালাওভাবে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কাউকে দায়ী না করে বরং মাঠ পর্যায়ের অসংগতি খুঁজে বের করা জরুরি। পরিশেষে বলা যায়, স্বাস্থ্য খাতের এই সংকট নিরসনে স্বচ্ছ তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ড. ইউনূসের বিচারের দাবিতে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ

সর্বশেষ আপডেট ০১:১৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

হাম মহামারিতে শিশুমৃত্যুর জন্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিচার দাবিতে ঢাকার আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন একদল আইনজীবী।

বুধবার (১৩ মে) বিকেলে মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, টিকার সংগ্রহপদ্ধতি পরিবর্তনের কারণে দেশে টিকার সংকট তৈরি হয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, এবি পার্টি স্বাস্থ্য খাতের অসংগতি তদন্তে স্বাধীন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে।

দেশের স্বাস্থ্য খাতে অব্যবস্থাপনা ও হামের টিকা সংকটের অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আইনজীবীরা অংশ নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মূলত ড. ইউনূসের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করার কারণ হিসেবে বক্তারা উল্লেখ করেন যে, ইউনিসেফের সতর্কতা সত্ত্বেও টিকার প্রচলিত সংগ্রহপদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়েছিল। এর ফলে হামের টিকার তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং ৪ শতাধিক শিশু প্রাণ হারায়।

বিক্ষোভ সমাবেশে আইনজীবীরা দাবি করেন, তৎকালীন সরকারের চরম গাফিলতির কারণেই সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কায়েস আহমেদ অর্ণব নামে এক আইনজীবী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও নূরজাহান বেগমকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

বর্তমানে ড. ইউনূসের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কয়েকজন আইনজীবী চোখে ও মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

এদিকে, এবি পার্টির পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি তদন্তে একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। দলটির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিগত সরকারের টিকাদানের উচ্চহার সংক্রান্ত তথ্যে বিভ্রান্তি থাকতে পারে।

বর্তমানে ড. ইউনূসের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ চললেও ফুয়াদ মনে করেন, ঢালাওভাবে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কাউকে দায়ী না করে বরং মাঠ পর্যায়ের অসংগতি খুঁজে বের করা জরুরি। পরিশেষে বলা যায়, স্বাস্থ্য খাতের এই সংকট নিরসনে স্বচ্ছ তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।