ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি খাতে মার্কিন অঙ্গীকার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 25

ওয়াশিংটনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ও অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বুধবার (১৩ মে) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। রাষ্ট্রদূতের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে আরও পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। এছাড়া দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করতে উভয় দেশ কাজ করছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক ও জ্বালানি সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ওয়াশিংটন তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সম্প্রতি শেভরন ও এক্সেলারেট এনার্জির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। মূলত জ্বালানি খাতে মার্কিন অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। শেভরন বর্তমানে বাংলাদেশের মোট প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ৬০ শতাংশ সরবরাহ করে, যা জাতীয় গ্রিডে বড় ভূমিকা রাখছে।

এক্সেলারেট এনার্জির প্রধান নির্বাহী স্টিভেন কোবোসের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের এলএনজি (LNG) এবং জ্বালানি অবকাঠামো সম্প্রসারণের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। বর্তমানে জ্বালানি খাতে মার্কিন অঙ্গীকার অনুযায়ী উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সরবরাহের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রদূত সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ‘সিলেক্টইউএসএ ইনভেস্টমেন্ট সামিট’-এ ২৫ জন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতার একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা দুই দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

মার্কিন সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গতিশীল করেছে। বর্তমানে জ্বালানি খাতে মার্কিন অঙ্গীকার এবং বিনিয়োগের পথে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করতে উভয় পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বাজার প্রবেশাধিকার উন্নত করা এবং শ্রমিক সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাণিজ্য চুক্তির সুফল পেতে চায় ওয়াশিংটন। পরিশেষে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জ্বালানি খাতে মার্কিন অঙ্গীকার

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ও অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বুধবার (১৩ মে) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। রাষ্ট্রদূতের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে আরও পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। এছাড়া দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করতে উভয় দেশ কাজ করছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক ও জ্বালানি সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ওয়াশিংটন তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সম্প্রতি শেভরন ও এক্সেলারেট এনার্জির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। মূলত জ্বালানি খাতে মার্কিন অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। শেভরন বর্তমানে বাংলাদেশের মোট প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ৬০ শতাংশ সরবরাহ করে, যা জাতীয় গ্রিডে বড় ভূমিকা রাখছে।

এক্সেলারেট এনার্জির প্রধান নির্বাহী স্টিভেন কোবোসের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের এলএনজি (LNG) এবং জ্বালানি অবকাঠামো সম্প্রসারণের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। বর্তমানে জ্বালানি খাতে মার্কিন অঙ্গীকার অনুযায়ী উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সরবরাহের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রদূত সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ‘সিলেক্টইউএসএ ইনভেস্টমেন্ট সামিট’-এ ২৫ জন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতার একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা দুই দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

মার্কিন সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গতিশীল করেছে। বর্তমানে জ্বালানি খাতে মার্কিন অঙ্গীকার এবং বিনিয়োগের পথে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করতে উভয় পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বাজার প্রবেশাধিকার উন্নত করা এবং শ্রমিক সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাণিজ্য চুক্তির সুফল পেতে চায় ওয়াশিংটন। পরিশেষে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।