ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের অঙ্গীকার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 35

জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম সেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে একজন “পূর্ণকালীন প্রেসিডেন্ট” হিসেবে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

বুধবার (১৩ মে) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রচারণামূলক এক সেশনে তিনি তার ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জাতিসংঘ সনদ সমুন্নত রাখা, জলবায়ু তহবিলের বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ন্যায়সঙ্গত শাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য শক্তিশালী প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বুধবার বিকেলে সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সেশনে তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে তার ভিশন উপস্থাপন করেন।

মূলত জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের অঙ্গীকার হলো ছোট প্রতিনিধিদলগুলোর অধিকার রক্ষা করা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো। তিনি নির্বাচিত হলে মতপার্থক্যের মধ্যেও বিশ্বব্যাপী ঐকমত্যের ভিত্তি খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বলে জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে ছয়টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। বর্তমানে জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের অঙ্গীকার অনুযায়ী উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং অর্থায়নের ঘাটতি মেটানো হবে তার অন্যতম অগ্রাধিকার।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তিনি ‘ক্ষয়ক্ষতি’ (Loss and Damage) তহবিলকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার কথা বলেছেন। এছাড়া ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান ও বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের মানবাধিকার সুরক্ষায় জোরালো ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের বর্তমান কাঠামোর সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। বর্তমানে জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের অঙ্গীকার অনুযায়ী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের শাসনকে আরও বিচক্ষণ ও ন্যায়সঙ্গত করার জন্য বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বিশ্বমঞ্চে মানবিক পরিসর রক্ষা এবং শরণার্থী সহায়তার ওপর জোর দিয়েছেন। পরিশেষে বলা যায়, এই নির্বাচনে জয়ী হলে বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ড. খলিলুর রহমানের ভূমিকা আরও সুসংহত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের অঙ্গীকার

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম সেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে একজন “পূর্ণকালীন প্রেসিডেন্ট” হিসেবে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

বুধবার (১৩ মে) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রচারণামূলক এক সেশনে তিনি তার ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জাতিসংঘ সনদ সমুন্নত রাখা, জলবায়ু তহবিলের বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ন্যায়সঙ্গত শাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য শক্তিশালী প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বুধবার বিকেলে সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সেশনে তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে তার ভিশন উপস্থাপন করেন।

মূলত জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের অঙ্গীকার হলো ছোট প্রতিনিধিদলগুলোর অধিকার রক্ষা করা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো। তিনি নির্বাচিত হলে মতপার্থক্যের মধ্যেও বিশ্বব্যাপী ঐকমত্যের ভিত্তি খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বলে জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে ছয়টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। বর্তমানে জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের অঙ্গীকার অনুযায়ী উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং অর্থায়নের ঘাটতি মেটানো হবে তার অন্যতম অগ্রাধিকার।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তিনি ‘ক্ষয়ক্ষতি’ (Loss and Damage) তহবিলকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার কথা বলেছেন। এছাড়া ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান ও বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের মানবাধিকার সুরক্ষায় জোরালো ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের বর্তমান কাঠামোর সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। বর্তমানে জাতিসংঘে ড. খলিলুর রহমানের অঙ্গীকার অনুযায়ী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের শাসনকে আরও বিচক্ষণ ও ন্যায়সঙ্গত করার জন্য বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বিশ্বমঞ্চে মানবিক পরিসর রক্ষা এবং শরণার্থী সহায়তার ওপর জোর দিয়েছেন। পরিশেষে বলা যায়, এই নির্বাচনে জয়ী হলে বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ড. খলিলুর রহমানের ভূমিকা আরও সুসংহত হবে।