৫৬ জেলায় ছড়িয়েছে হাম, উদ্বিগ্ন ডব্লিউএইচও
- সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
- / 109
দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবের পেছনে শিশুদের নিয়মিত টিকাদানে তৈরি হওয়া ‘ইমিউনিটি গ্যাপ’ বা রোগ প্রতিরোধক্ষমতার ঘাটতিকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটি জানিয়েছে, গত দুই বছরে টিকাদান কর্মসূচিতে বিঘ্ন ঘটায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং ইতোমধ্যে দেশের ৫৬ জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে।
দেশে একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৪৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৯ দিনে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ জনে।
প্রথমে জ্বর ও ঠাণ্ডা, এরপর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি, প্রাথমিকভাবে অনেকেই এটিকে সাধারণ অসুখ মনে করছেন। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় রোগীরা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন।
দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের অভিজ্ঞতা প্রায় একই ধরনের। এক কথায়, অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, বরগুনা, মাগুরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় গত ১৯ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৯৪ জনের, এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে দেশের কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে ২ হাজার ১৯০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭৬ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৫৬টি জেলায়।
চিকিৎসকরা বলছেন, উপসর্গ দেখা দেয়ার পরপরই সতর্ক না হওয়া এবং পরীক্ষায় বিলম্বের কারণে সংক্রমণ বাড়ছে। এখন পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।
































