ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদে গণভোট অধ্যাদেশ বিল হচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 106

গণভোট আয়োজনের জন্য জারি করা অধ্যাদেশটি স্থায়ী আইনে রূপ নিচ্ছে না- সরকার এখন এটিকে একটি ‘এককালীন কার্যকর’ ব্যবস্থা হিসেবেই দেখছে। এমনটাই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি বলেন, এই অধ্যাদেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট গণভোট সম্পন্ন করা, যা ইতোমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে এটিকে আবার বিল আকারে সংসদে এনে আইন করার প্রয়োজনীয়তা দেখছে না সরকার।

মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদের অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদনের জন্য তোলা হয়। তবে যেসব অধ্যাদেশ তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করে ফেলেছে, সেগুলোকে আর স্থায়ী আইনে রূপ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।

বৈঠকে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে- কিছু অধ্যাদেশ বর্তমান অবস্থাতেই অনুমোদনের পথে, কিছু সংশোধন করে বিল আকারে সংসদে আনা হবে, আর যেগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আনা সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

মন্ত্রী আরও জানান, সময় স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব অধ্যাদেশ নিয়ে সিদ্ধান্ত সম্ভব নয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পরবর্তী অধিবেশনে আবার বিল আকারে উত্থাপন করা হতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায়- সরকার এখন অধ্যাদেশ ব্যবস্থাকে ‘অস্থায়ী প্রয়োজনে ব্যবহৃত টুল’ হিসেবেই রাখতে চায়, স্থায়ী আইনের বিকল্প হিসেবে নয়। গণভোট অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে সেই দৃষ্টিভঙ্গিই স্পষ্ট হয়েছে, যেখানে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণের পর সেটিকে আর আইনগত কাঠামোয় স্থায়ী করা হচ্ছে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদে গণভোট অধ্যাদেশ বিল হচ্ছে না

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

গণভোট আয়োজনের জন্য জারি করা অধ্যাদেশটি স্থায়ী আইনে রূপ নিচ্ছে না- সরকার এখন এটিকে একটি ‘এককালীন কার্যকর’ ব্যবস্থা হিসেবেই দেখছে। এমনটাই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি বলেন, এই অধ্যাদেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট গণভোট সম্পন্ন করা, যা ইতোমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে এটিকে আবার বিল আকারে সংসদে এনে আইন করার প্রয়োজনীয়তা দেখছে না সরকার।

মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদের অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদনের জন্য তোলা হয়। তবে যেসব অধ্যাদেশ তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করে ফেলেছে, সেগুলোকে আর স্থায়ী আইনে রূপ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।

বৈঠকে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে- কিছু অধ্যাদেশ বর্তমান অবস্থাতেই অনুমোদনের পথে, কিছু সংশোধন করে বিল আকারে সংসদে আনা হবে, আর যেগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আনা সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

মন্ত্রী আরও জানান, সময় স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব অধ্যাদেশ নিয়ে সিদ্ধান্ত সম্ভব নয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পরবর্তী অধিবেশনে আবার বিল আকারে উত্থাপন করা হতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায়- সরকার এখন অধ্যাদেশ ব্যবস্থাকে ‘অস্থায়ী প্রয়োজনে ব্যবহৃত টুল’ হিসেবেই রাখতে চায়, স্থায়ী আইনের বিকল্প হিসেবে নয়। গণভোট অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে সেই দৃষ্টিভঙ্গিই স্পষ্ট হয়েছে, যেখানে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণের পর সেটিকে আর আইনগত কাঠামোয় স্থায়ী করা হচ্ছে না।