ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে উপায়ে ২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব এসেছিল: আসিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / 114

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ফাইল ছবি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘ডিপ স্টেট’ থেকে ক্ষমতায় থাকার একটি প্রস্তাব এসেছিল বলে জানিয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তবে সেই প্রস্তাবে সায় না দিয়ে তারা নির্বাচনের পথেই ছিলেন বলে দাবি তার।

রাজধানীতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় আসিফ মাহমুদ বলেন, সরকারে দায়িত্বে থাকার শুরুর দিকে কিছু প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাদের কাছে একটি প্রস্তাব আসে।

সেখানে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার একটি রূপরেখাও তুলে ধরা হয়েছিল। বিনিময়ে কিছু শর্ত মানার কথা বলা হয়, যা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।

তার কথায়, পুরো বিষয়টি ছিল একধরনের সমঝোতার প্রস্তাব। বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্বাচনের বাইরে রাখার কৌশলও সেখানে ছিল বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

আদালতের প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করে কিছু নেতাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে দূরে রাখার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, ওই প্রস্তাবে সম্মতি দিলে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার একটি ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যেত, যা ক্ষমতায় দীর্ঘ সময় থাকার পথ তৈরি করত। কিন্তু তাদের অবস্থান ছিল ভিন্ন। তারা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চেয়েছেন, যার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না।

আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিতর্ক এড়াতে তারা স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে যাদের সমালোচনা করা হয়েছিল, তাদেরই আবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এতে নির্বাচনে সমান সুযোগের বিষয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তার অভিযোগ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে উপায়ে ২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব এসেছিল: আসিফ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘ডিপ স্টেট’ থেকে ক্ষমতায় থাকার একটি প্রস্তাব এসেছিল বলে জানিয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তবে সেই প্রস্তাবে সায় না দিয়ে তারা নির্বাচনের পথেই ছিলেন বলে দাবি তার।

রাজধানীতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় আসিফ মাহমুদ বলেন, সরকারে দায়িত্বে থাকার শুরুর দিকে কিছু প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাদের কাছে একটি প্রস্তাব আসে।

সেখানে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার একটি রূপরেখাও তুলে ধরা হয়েছিল। বিনিময়ে কিছু শর্ত মানার কথা বলা হয়, যা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।

তার কথায়, পুরো বিষয়টি ছিল একধরনের সমঝোতার প্রস্তাব। বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্বাচনের বাইরে রাখার কৌশলও সেখানে ছিল বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

আদালতের প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করে কিছু নেতাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে দূরে রাখার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, ওই প্রস্তাবে সম্মতি দিলে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার একটি ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যেত, যা ক্ষমতায় দীর্ঘ সময় থাকার পথ তৈরি করত। কিন্তু তাদের অবস্থান ছিল ভিন্ন। তারা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চেয়েছেন, যার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না।

আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিতর্ক এড়াতে তারা স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে যাদের সমালোচনা করা হয়েছিল, তাদেরই আবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এতে নির্বাচনে সমান সুযোগের বিষয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তার অভিযোগ।