ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ মাসের মধ্যেই রামিসার ঘাতকের ফাঁসি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / 103

ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন যে, রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের অবুজ শিশু রামিসা আক্তারকে নির্মমভাবে ঘোষণাকারী ও হত্যাকারী সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড আগামী এক মাসের মধ্যেই সরকার নিশ্চিত করবে।

শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি এই কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন যে, সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো পৈশাতিক অপরাধ বর্তমান সরকার কোনোভাবেই বরদাশত করবে না।

পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের তীব্র ক্ষোভ ও বিচারপ্রার্থিতার ঢেউ এখন খোদ সরকারপ্রধানের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, যা অপরাধীদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। এই ধরণের জঘন্য অপরাধের দ্রুততম বিচার নিশ্চিত করে সমাজে আইনের কঠোর শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর বর্তমান প্রশাসন।

মূলত এক মাসেই রামিসার ঘাতকের ফাঁসি নিশ্চিত শিরোনামের এই রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারটি ময়মনসিংহের ত্রিশালে আয়োজিত একটি মর্যাদাপূর্ণ সাংস্কৃতিক মঞ্চ থেকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে জাতীয় কবির তিন দিনব্যাপী জন্মজয়ন্তী উৎসবের শুভ উদ্বোধন ও নজরুল পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এই বক্তব্য রাখেন।

দেশের মাটিতে কোনো অবুজ শিশু বা নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার দিন শেষ হয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে এক মাসেই রামিসার ঘাতকের ফাঁসি নিশ্চিত করার এই সরকারি প্রতিশ্রুতির মূল উদ্দেশ্য হলো অপরাধীদের মনে আইনের শাসন নিয়ে তীব্র ভীতি তৈরি করা।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ইনশাআল্লাহ শব্দটির উল্লেখ করে বলেন যে, ঘাতক সোহেল রানার ফাঁসির রায় আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কার্যকর করার সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নরপিশাচ এমন বর্বরতা দেখানোর দুঃসাহস না পায়।

এই সাংস্কৃতিক সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের সামাজিক ও আইনি সংস্কারের সুদৃঢ় অবস্থানের কথা আবারও মনে করিয়ে দেন। বর্তমানে এক মাসেই রামিসার ঘাতকের ফাঁসি নিশ্চিত করার এই বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা দেশের বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে চিরতরে উপড়ে ফেলতে বড় ভূমিকা রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১ মাসের মধ্যেই রামিসার ঘাতকের ফাঁসি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন যে, রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের অবুজ শিশু রামিসা আক্তারকে নির্মমভাবে ঘোষণাকারী ও হত্যাকারী সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড আগামী এক মাসের মধ্যেই সরকার নিশ্চিত করবে।

শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি এই কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন যে, সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো পৈশাতিক অপরাধ বর্তমান সরকার কোনোভাবেই বরদাশত করবে না।

পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের তীব্র ক্ষোভ ও বিচারপ্রার্থিতার ঢেউ এখন খোদ সরকারপ্রধানের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, যা অপরাধীদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। এই ধরণের জঘন্য অপরাধের দ্রুততম বিচার নিশ্চিত করে সমাজে আইনের কঠোর শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর বর্তমান প্রশাসন।

মূলত এক মাসেই রামিসার ঘাতকের ফাঁসি নিশ্চিত শিরোনামের এই রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারটি ময়মনসিংহের ত্রিশালে আয়োজিত একটি মর্যাদাপূর্ণ সাংস্কৃতিক মঞ্চ থেকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে জাতীয় কবির তিন দিনব্যাপী জন্মজয়ন্তী উৎসবের শুভ উদ্বোধন ও নজরুল পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এই বক্তব্য রাখেন।

দেশের মাটিতে কোনো অবুজ শিশু বা নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার দিন শেষ হয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে এক মাসেই রামিসার ঘাতকের ফাঁসি নিশ্চিত করার এই সরকারি প্রতিশ্রুতির মূল উদ্দেশ্য হলো অপরাধীদের মনে আইনের শাসন নিয়ে তীব্র ভীতি তৈরি করা।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ইনশাআল্লাহ শব্দটির উল্লেখ করে বলেন যে, ঘাতক সোহেল রানার ফাঁসির রায় আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কার্যকর করার সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নরপিশাচ এমন বর্বরতা দেখানোর দুঃসাহস না পায়।

এই সাংস্কৃতিক সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের সামাজিক ও আইনি সংস্কারের সুদৃঢ় অবস্থানের কথা আবারও মনে করিয়ে দেন। বর্তমানে এক মাসেই রামিসার ঘাতকের ফাঁসি নিশ্চিত করার এই বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা দেশের বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে চিরতরে উপড়ে ফেলতে বড় ভূমিকা রাখবে।