ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু আয়াত হত্যা: আবির আলীর মৃত্যুদণ্ড, জরিমানা ১ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / 98

চট্টগ্রামের আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি আবির আলীকে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকার বহুল আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস একমাত্র আসামি আবির আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর নগরের বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলে পরে তদন্তে নামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটে আবির আলী। তবে পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কায় তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।

গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যার দায় স্বীকার করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিশু আয়াত হত্যা: আবির আলীর মৃত্যুদণ্ড, জরিমানা ১ লাখ টাকা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি আবির আলীকে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকার বহুল আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস একমাত্র আসামি আবির আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর নগরের বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলে পরে তদন্তে নামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটে আবির আলী। তবে পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কায় তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।

গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যার দায় স্বীকার করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।