ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধ বিরতি আলোচনায় দুই শর্তে অনড় ইরানি স্পিকার ক্যালিবাফ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 27

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য আলোচনার আগে নির্দিষ্ট দুইটি শর্ত পূরণের দাবি জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের ক্যালিবাফ। আলোচনার পরিবেশ তৈরি হলেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অগ্রগতি না হলে সংলাপ শুরু করা সম্ভব নয় বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ক্যালিবাফ জানান, পূর্বে উভয় পক্ষ যে বিষয়গুলোতে একমত হয়েছিল, তার মধ্যে লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

তিনি বলেন, আলোচনার আগে এই দুইটি বিষয় কার্যকর করতে হবে, অন্যথায় সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার কোনো ভিত্তি তৈরি হয় না। তাঁর মতে, এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে আলোচনা অর্থবহ হবে না।

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। সামরিক সংঘাত ও পাল্টা হামলার পর আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেয়।

এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময় আলোচনার একটি কাঠামো দাঁড় করানোর কথা বলা হচ্ছে। ইরান এর মধ্যেই একটি দশ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইরানের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাত দেশটির জন্য এক ধরনের “কৌশলগত সাফল্য” এনে দিয়েছে এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার পথে আসতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

তবে তেহরানের অবস্থান থেকে স্পষ্ট, এই আলোচনা যুদ্ধের সমাপ্তি নয় বরং কূটনৈতিক পরিসরে সংঘাতেরই আরেকটি রূপ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থাহীনতা এখনো গভীরভাবে বিদ্যমান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুদ্ধ বিরতি আলোচনায় দুই শর্তে অনড় ইরানি স্পিকার ক্যালিবাফ

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য আলোচনার আগে নির্দিষ্ট দুইটি শর্ত পূরণের দাবি জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের ক্যালিবাফ। আলোচনার পরিবেশ তৈরি হলেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অগ্রগতি না হলে সংলাপ শুরু করা সম্ভব নয় বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ক্যালিবাফ জানান, পূর্বে উভয় পক্ষ যে বিষয়গুলোতে একমত হয়েছিল, তার মধ্যে লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

তিনি বলেন, আলোচনার আগে এই দুইটি বিষয় কার্যকর করতে হবে, অন্যথায় সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার কোনো ভিত্তি তৈরি হয় না। তাঁর মতে, এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে আলোচনা অর্থবহ হবে না।

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। সামরিক সংঘাত ও পাল্টা হামলার পর আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেয়।

এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময় আলোচনার একটি কাঠামো দাঁড় করানোর কথা বলা হচ্ছে। ইরান এর মধ্যেই একটি দশ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইরানের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাত দেশটির জন্য এক ধরনের “কৌশলগত সাফল্য” এনে দিয়েছে এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার পথে আসতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

তবে তেহরানের অবস্থান থেকে স্পষ্ট, এই আলোচনা যুদ্ধের সমাপ্তি নয় বরং কূটনৈতিক পরিসরে সংঘাতেরই আরেকটি রূপ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থাহীনতা এখনো গভীরভাবে বিদ্যমান।