মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
- / 93
দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৫টার পর ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
সিইসি জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
ফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অধিকাংশ সংসদ সদস্য ভোট দিলেও ছয়জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেননি। তারা হলেন; বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের ড. ওসমান ফারুক, চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, সিলেট-৫ আসনের খেলাফত মজলিশের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসান এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
সংসদ সূত্র জানায়, মির্জা আব্বাস চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করায় ভোট দিতে পারেননি।
অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বিতর্কিত ভিডিওকে কেন্দ্র করে গাজী নজরুল ইসলামকে ইতোমধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার অনুপস্থিতির সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বিএনপি অথবা ১১ দলীয় জোটের যেকোনো প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। তবে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে ভোটকক্ষে দেখা যায়নি।
এ ছাড়া ড. ওসমান ফারুক, মোস্তফা কামাল পাশা ও মোহাম্মদ আবুল হাসান কেন ভোট দেননি, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেও শেষ পর্যন্ত ভোট দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ।




























