মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক: কী কথা হলো দুজনের
- সর্বশেষ আপডেট ১১:০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
- / 148
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, শ্রমবাজারের আধুনিকায়ন এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সোমবার (২২ জুন) মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই বিশেষ বৈঠক শেষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আলোচনার মূল বিষয়গুলো বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ঐতিহাসিক ও দীর্ঘদিনের গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শাসন আমল থেকেই দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে অত্যন্ত সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও নতুন উচ্চতায় এবং শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধির লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি (IT) খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, মালয়েশিয়ার সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও যৌথ বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমবাজারের টেকসই সম্প্রসারণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করা নিয়ে অত্যন্ত নিবিড় ও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এর পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও দুই দেশের মধ্যে কথা হয়েছে। তারেক রহমান বলেন, “রোহিঙ্গা সংকট বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধরনের মানবিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ।” এই সংকটের একটি স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে এবং আন্তর্জাতিক মহলে আরও জোরালো ও কার্যকর জনমত গড়ে তুলতে আসিয়ান (ASEAN) জোটের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ হিসেবে মালয়েশিয়ার জোরালো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গীরা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। এই মধ্যাহ্নভোজের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে মালয়েশিয়ার প্রখ্যাত শিল্পীরা মালয় এবং বাংলাদেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে চমৎকার বাংলা ভাষায় গানসহ ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।































