ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

অন্তার্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৯:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 15

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দ্রুত শেষ হতে পারে—এমন আশায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বর্তমানে প্রতি ব্যারেল ৯৮ ডলারে নেমে এসেছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার খবর এই স্বস্তি এনেছে। তবে এশিয়ার শেয়ারবাজারে এর কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অবশেষে স্বস্তির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স বর্তমানে ১ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৯৮.০৫ ডলারে নেমেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। ফলে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা তেলের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে খুব শীঘ্রই নতুন চুক্তি হতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এখন শেষের পথে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে গত মার্চ মাসে যুদ্ধের কারণে তেলের দাম রেকর্ড ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল। বর্তমানে সেই বাড়তি দাম থেকে বাজার ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে।

তেলের দাম কমলেও এশিয়ার শেয়ারবাজারে শুক্রবার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই সূচক লেনদেনের শুরুতেই ১ শতাংশ কমেছে। এছাড়া হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ারবাজারেও কিছুটা দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আগের দিন রেকর্ড উত্থান দেখা গিয়েছিল। মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শান্তি প্রস্তাব বিনিয়োগকারীদের মাঝে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পাকিস্তান বা অন্য কোনো স্থানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক হলে বাজারের চিত্র পুরোপুরি বদলে যেতে পারে। বর্তমানে তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসাকে বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে পুরো সপ্তাহজুড়ে দাম ৯০ ডলারের ঘরেই অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। অবশেষে দীর্ঘ সংকটের পর জ্বালানি খাতে বড় ধরণের পরিবর্তনের অপেক্ষা করছে বিশ্ব।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৯:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দ্রুত শেষ হতে পারে—এমন আশায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বর্তমানে প্রতি ব্যারেল ৯৮ ডলারে নেমে এসেছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার খবর এই স্বস্তি এনেছে। তবে এশিয়ার শেয়ারবাজারে এর কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অবশেষে স্বস্তির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স বর্তমানে ১ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৯৮.০৫ ডলারে নেমেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। ফলে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা তেলের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে খুব শীঘ্রই নতুন চুক্তি হতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এখন শেষের পথে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে গত মার্চ মাসে যুদ্ধের কারণে তেলের দাম রেকর্ড ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল। বর্তমানে সেই বাড়তি দাম থেকে বাজার ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে।

তেলের দাম কমলেও এশিয়ার শেয়ারবাজারে শুক্রবার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই সূচক লেনদেনের শুরুতেই ১ শতাংশ কমেছে। এছাড়া হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ারবাজারেও কিছুটা দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আগের দিন রেকর্ড উত্থান দেখা গিয়েছিল। মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শান্তি প্রস্তাব বিনিয়োগকারীদের মাঝে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পাকিস্তান বা অন্য কোনো স্থানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক হলে বাজারের চিত্র পুরোপুরি বদলে যেতে পারে। বর্তমানে তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসাকে বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে পুরো সপ্তাহজুড়ে দাম ৯০ ডলারের ঘরেই অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। অবশেষে দীর্ঘ সংকটের পর জ্বালানি খাতে বড় ধরণের পরিবর্তনের অপেক্ষা করছে বিশ্ব।