ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ অভিযোগে দুজন ‘রাজসাক্ষী’ পাওয়ার দাবি জামায়াত আমিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 27

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

ঢাকায় সংসদ অধিবেশনের বাইরে এসে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তাঁর ভাষায়, নির্বাচন ঘিরে ‘ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ সঙ্গে যুক্ত দুজন ব্যক্তি রাজসাক্ষী হয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউটের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, যা সরকারি দলের স্ববিরোধী অবস্থানের ফল বলে তাঁর মত।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, নির্বাচনী ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর বিষয়ে অন্তত দুজন ব্যক্তির ভূমিকা সামনে এসেছে—যাদের একজন সাবেক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং অন্যজন বর্তমান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষায়, এ বিষয়টি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তিনি মন্তব্য করেন, বিভিন্ন সময় উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে যেসব আলোচনা সামনে এসেছে, তা স্বচ্ছ নির্বাচনের ধারণাকে দুর্বল করেছে। একই সঙ্গে তিনি লন্ডনে একটি অনুষ্ঠানে ‘ট্রফি প্রদান’ প্রসঙ্গ টেনে পরোক্ষভাবে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

শফিকুর রহমান জানান, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তাঁর দল কোনো ছাড় দেবে না। তাঁর মতে, গণরায় বা গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত উপেক্ষা করার সুযোগ নেই, এবং এ দাবিকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান এগিয়ে যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নির্বাচনী ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ অভিযোগে দুজন ‘রাজসাক্ষী’ পাওয়ার দাবি জামায়াত আমিরের

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় সংসদ অধিবেশনের বাইরে এসে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তাঁর ভাষায়, নির্বাচন ঘিরে ‘ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ সঙ্গে যুক্ত দুজন ব্যক্তি রাজসাক্ষী হয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউটের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, যা সরকারি দলের স্ববিরোধী অবস্থানের ফল বলে তাঁর মত।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, নির্বাচনী ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর বিষয়ে অন্তত দুজন ব্যক্তির ভূমিকা সামনে এসেছে—যাদের একজন সাবেক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং অন্যজন বর্তমান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষায়, এ বিষয়টি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তিনি মন্তব্য করেন, বিভিন্ন সময় উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে যেসব আলোচনা সামনে এসেছে, তা স্বচ্ছ নির্বাচনের ধারণাকে দুর্বল করেছে। একই সঙ্গে তিনি লন্ডনে একটি অনুষ্ঠানে ‘ট্রফি প্রদান’ প্রসঙ্গ টেনে পরোক্ষভাবে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

শফিকুর রহমান জানান, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তাঁর দল কোনো ছাড় দেবে না। তাঁর মতে, গণরায় বা গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত উপেক্ষা করার সুযোগ নেই, এবং এ দাবিকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান এগিয়ে যাবে।