ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 19

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)।

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এপ্রিলে ৩১২টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গত মাসের তুলনায় এ মাসে ২৩টি ঘটনা বেশি ঘটেছে।

এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৫৪টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৪টি, ধর্ষণ ও হত্যা ১টি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬ জন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এপ্রিলের মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণের শিকার ৫৪ জনের মধ্যে ১৮ জন শিশু ও ১৪ জন কিশোরী রয়েছে। অপরদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১ জন শিশু, ৪ জন কিশোরী ও ৯ জন নারী এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছেন ১ জন কিশোর ও ১ জন নারী। ধর্ষণের চেষ্টা ২৩টি, যৌন হয়রানি ১৭টি, শারীরিক নির্যাতনের ৬৮টি ঘটনা ঘটেছে। এসিড নিক্ষেপে আক্রান্ত হয়েছেন ১ জন নারী।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধানপ্রদত্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি, মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা, সত্য প্রকাশের পরিবেশ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।

২৭ টি ঘটনায় ৪৬ জন সাংবাদিক দেশের বিভিন্ন জেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নানাভাবে হামলা, আইনি হয়রানি, হুমকি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

আক্রান্ত সাংবাদিকদের মধ্যে ১৪ জন সাংবাদিক তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় আহত এবং হামলার শিকার হয়েছেন। লাঞ্ছিত ও হুমকির শিকার হয়েছেন ২৪ জন, আইনি হয়রানির শিকার হয়েছেন ৮ জন সাংবাদিক।

আইনি হয়রানির ক্ষেত্রে ১ জন সাংবাদিককে গ্রেফতার করে ১৮ ঘণ্টা পর ছেড়ে দেওয়া হয় এবং ২ জনকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়। এ তিনজনই কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি। পাশাপাশি ৫ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

লাঞ্ছিত ও হুমকির শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে ৬ জন সাংবাদিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১০ জন সাংবাদিক শাহবাগ থানার মধ্যে হেনস্তার শিকার হোন। অভিযোগ অনুযায়ী প্রথম ঘটনায় সরাসরি সরকারি দলের সংস্লিষ্ট্তা এবং ২য় ঘটনায় মব সৃষ্টি করে সরকারি দল সাংবাদিকদের হেনস্তা করেছে বলা জানা যায়।

এ মাসের ২৭ টি সাংবাদিক নির্যাতন সংক্রান্ত ঘটনার ৫ টিতে বিএনপি, ৬ টিতে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, ৪ টিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৩টিতে দুস্কৃতিকারি ও ২টি করে ঘটনায় তৈল পাম্পের মালিক, ও ভূমি দস্যু জড়িত ছিল। পাশাপাশি ১টি ঘটনায় মব, পুলিশ, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, মাদক ব্যবসায়ী ও সেনাবহিনীর সংস্লিষ্টতা ছিল বলে জানা যায়।

সাংবাদিক নির্যাতনের মোট ২৭টি ঘটনার ভৌগোলিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ৪টি ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ঢাকা, সাতক্ষীরা ও গাজীপুরে ২টি করে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

অন্যদিকে একজন জেলা প্রশাসকের রানী ইয়েন ইয়েনকে তাঁর কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে পত্র প্রেরণ নাগরিকদের একান্ত ব্যক্তিগত পর্যায়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব ও নিয়ন্ত্রণ করার একটি ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা, নিহত ও আহতদের সংখ্যা সামগ্রিকভাবে হ্রাস পেলেও, আধিপত্য বিস্তার এবং দলীয় কোন্দলকে কেন্দ্র করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

এপ্রিলে ৪৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় শিকার হয়েছেন ৩০৬ ব্যক্তি। আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জন নিহত এবং ৩০৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুইজন বিএনপির কর্মী এবং একজন সাধারণ কৃষক ছিলেন। সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ এর ব্যবহার/অপব্যবহারে ৪ টি মামলা হয়েছে।

সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনে ৬টি এবং আদিবাসী নির্যাতনের ২টিসহ মোট ৮টি ঘটনা ঘটেছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের ৬ টি ঘটনার মধ্যে ২ টি ঘটনা জমি দখল, ১ টি ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি, ২ টি মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুর এবং ১ টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। মন্দিরে চুরির ঘটনাটি চট্রগ্রামে আর প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনাগুলো ঘটেছে টাঙ্গাইল ও হবিগন্জে।  এ সকল ঘটনায় কমপক্ষে ১০ টি প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে।

আদিবাসী নির্যাতনের ২ টি ঘটনা ভূমি সংক্রান্ত। একটি ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধায় সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম এলাকায় সাঁওতালদের ভূমি উদ্ধার নিয়ে আয়েজিত মিছিলে হামলা এবং অন্য ঘটনাটি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি খাস জমি নিয়ে স্থানীয় আদিবাসীদের উপর হামলা করেন রেজাউল ইসলাম ও তার দল। এ সকল ঘটনায় আহত হয়েছেন ১১ জন আদিবাসী।

গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে হতাহতের ঘটনা বেড়েছে। এ মাসে ৪৯ টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ২১ জন নিহত ও ৪৯ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। গণপিটুনির শিকার ৩০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।  আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারী অপরাধ যা বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এপ্রিলে ৩১২টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গত মাসের তুলনায় এ মাসে ২৩টি ঘটনা বেশি ঘটেছে।

এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৫৪টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৪টি, ধর্ষণ ও হত্যা ১টি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬ জন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এপ্রিলের মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণের শিকার ৫৪ জনের মধ্যে ১৮ জন শিশু ও ১৪ জন কিশোরী রয়েছে। অপরদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১ জন শিশু, ৪ জন কিশোরী ও ৯ জন নারী এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছেন ১ জন কিশোর ও ১ জন নারী। ধর্ষণের চেষ্টা ২৩টি, যৌন হয়রানি ১৭টি, শারীরিক নির্যাতনের ৬৮টি ঘটনা ঘটেছে। এসিড নিক্ষেপে আক্রান্ত হয়েছেন ১ জন নারী।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধানপ্রদত্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি, মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা, সত্য প্রকাশের পরিবেশ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।

২৭ টি ঘটনায় ৪৬ জন সাংবাদিক দেশের বিভিন্ন জেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নানাভাবে হামলা, আইনি হয়রানি, হুমকি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

আক্রান্ত সাংবাদিকদের মধ্যে ১৪ জন সাংবাদিক তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় আহত এবং হামলার শিকার হয়েছেন। লাঞ্ছিত ও হুমকির শিকার হয়েছেন ২৪ জন, আইনি হয়রানির শিকার হয়েছেন ৮ জন সাংবাদিক।

আইনি হয়রানির ক্ষেত্রে ১ জন সাংবাদিককে গ্রেফতার করে ১৮ ঘণ্টা পর ছেড়ে দেওয়া হয় এবং ২ জনকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়। এ তিনজনই কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি। পাশাপাশি ৫ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

লাঞ্ছিত ও হুমকির শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে ৬ জন সাংবাদিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১০ জন সাংবাদিক শাহবাগ থানার মধ্যে হেনস্তার শিকার হোন। অভিযোগ অনুযায়ী প্রথম ঘটনায় সরাসরি সরকারি দলের সংস্লিষ্ট্তা এবং ২য় ঘটনায় মব সৃষ্টি করে সরকারি দল সাংবাদিকদের হেনস্তা করেছে বলা জানা যায়।

এ মাসের ২৭ টি সাংবাদিক নির্যাতন সংক্রান্ত ঘটনার ৫ টিতে বিএনপি, ৬ টিতে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, ৪ টিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৩টিতে দুস্কৃতিকারি ও ২টি করে ঘটনায় তৈল পাম্পের মালিক, ও ভূমি দস্যু জড়িত ছিল। পাশাপাশি ১টি ঘটনায় মব, পুলিশ, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, মাদক ব্যবসায়ী ও সেনাবহিনীর সংস্লিষ্টতা ছিল বলে জানা যায়।

সাংবাদিক নির্যাতনের মোট ২৭টি ঘটনার ভৌগোলিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ৪টি ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ঢাকা, সাতক্ষীরা ও গাজীপুরে ২টি করে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

অন্যদিকে একজন জেলা প্রশাসকের রানী ইয়েন ইয়েনকে তাঁর কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে পত্র প্রেরণ নাগরিকদের একান্ত ব্যক্তিগত পর্যায়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব ও নিয়ন্ত্রণ করার একটি ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা, নিহত ও আহতদের সংখ্যা সামগ্রিকভাবে হ্রাস পেলেও, আধিপত্য বিস্তার এবং দলীয় কোন্দলকে কেন্দ্র করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

এপ্রিলে ৪৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় শিকার হয়েছেন ৩০৬ ব্যক্তি। আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জন নিহত এবং ৩০৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুইজন বিএনপির কর্মী এবং একজন সাধারণ কৃষক ছিলেন। সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ এর ব্যবহার/অপব্যবহারে ৪ টি মামলা হয়েছে।

সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনে ৬টি এবং আদিবাসী নির্যাতনের ২টিসহ মোট ৮টি ঘটনা ঘটেছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের ৬ টি ঘটনার মধ্যে ২ টি ঘটনা জমি দখল, ১ টি ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি, ২ টি মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুর এবং ১ টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। মন্দিরে চুরির ঘটনাটি চট্রগ্রামে আর প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনাগুলো ঘটেছে টাঙ্গাইল ও হবিগন্জে।  এ সকল ঘটনায় কমপক্ষে ১০ টি প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে।

আদিবাসী নির্যাতনের ২ টি ঘটনা ভূমি সংক্রান্ত। একটি ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধায় সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম এলাকায় সাঁওতালদের ভূমি উদ্ধার নিয়ে আয়েজিত মিছিলে হামলা এবং অন্য ঘটনাটি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি খাস জমি নিয়ে স্থানীয় আদিবাসীদের উপর হামলা করেন রেজাউল ইসলাম ও তার দল। এ সকল ঘটনায় আহত হয়েছেন ১১ জন আদিবাসী।

গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে হতাহতের ঘটনা বেড়েছে। এ মাসে ৪৯ টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ২১ জন নিহত ও ৪৯ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। গণপিটুনির শিকার ৩০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।  আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারী অপরাধ যা বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে।